নিউজপলিটিক্সরাজ্য

“আপনাদের কাঁধে পদ্মফুল নয়, অশোক স্তম্ভ রয়েছে”- ত্রিপুরার পুলিশকে গর্জে উঠে বললেন অভিষেক।

নিজস্ব প্রতিবেদন: এখন রাজ্য রাজনীতিতে একটাই নাম , ‘ত্রিপুরা।’ এই ত্রিপুরার মাটিতে আগামী ২০২৩ এর বিধানসভা ভোটে নিজেদের গড় প্রতিষ্ঠা করতে উদ্‌গ্রীব হয়েছে তৃণমূল। কিন্তু ত্রিপুরার মাটিতে তাদের লড়াইয়ে প্রথম থেকেই কাঁটা বিছানো রাস্তার দেখা মিলেছে।ত্রিপুরা পুলিশ গ্রেফতার করেছিলো দেবাংশু দের।

পুলিশ অভিযোগ করেছিল যে দেবাংশু ভট্টাচার্য, সুদীপ রাহা, জয়া দত্ত, তৃণমূল কর্মীদের নিয়ে বিধিনিষেধ আইন লঙ্ঘন করেছে। খোয়াই থানায় পুলিশ আধিকারিক দের সাথে তীব্র বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েছিলেন তৃণমূল নেতারা। পুলিশকে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে,”এই বিধি-নিষেধ লঙ্ঘন করার অভিযোগে ১৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কিন্তু থানার বাইরে যে ২ হাজার বিজেপি কর্মীরা জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন তাহলে তাদেরকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না কেন?”

আরও পড়ুন-কুনাল ঘোষের লেখা চিঠির উত্তর দিলেন অমিত শাহ

পুলিশ আধিকারিক দের সাথে তীব্র বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন ব্রাত্য বসু, কুনাল ঘোষ, এবং দোলা সেনরা । খোয়াই থানার ভীতরে সমানে বসেছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনিও পুলিশ আধিকারিক দের সাথে তীব্র বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। অভিষেক অভিযোগ করেছেন যে দেবাংশু দের গ্রেপ্তার করার পর থেকে সারা রাত তাদেরকে খেতে দেয়নি পুলিশ।

এরপর আদালতে যুব তৃণমূল নেতাদের জামিন মঞ্জুর হয়। ‌ খোয়াই থানা থেকে বের হয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তীব্র আক্রমণ জানিয়েছেন ত্রিপুরার বিজেপি নেতৃত্বের প্রতি । খোয়াই থানা থেকে বেরিয়ে বিজেপির প্রতি আক্রমণ শানিয়ে অভিষেক বলেছেন,”বিজেপি সরকার যদি ভাবে যে এইভাবে তৃণমূলের উপর আক্রমণ শানিয়ে, তাদের গাড়ি ভেঙে, কর্মীদের রক্তাক্ত করে তৃণমূলকে আটকে রাখবে তাহলে তারা ভুল করছে। ওরা আমাদের যত আঘাত করবে, আমাদের জেদ তত‌ই বাড়বে।

আরও পড়ুন-“ত্রিপুরা কি আলাদা দেশ?”- বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন অভিষেক বন্দোপাধ্যায়

বিপ্লব দেবের সরকার খুব শীঘ্রই শেষ হবে। বেশি দিন এই সরকার থাকবে না। আমরা বিজেপি কে সমূলে উপড়ে ফেলবো।“ত্রিপুরার তৃণমূল রাজ্য সভাপতি আশিস লাল সিং সহ দেবাংশু দের গ্রেফতারির পর খোয়াই থানায় গিয়ে ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জকে আঙুল উঁচিয়ে রীতিমতো হুমকি দিয়ে অভিষেক বলেছেন,”ভুলে যাবেন না কাঁধে অশোক স্তম্ভ নিয়ে কথা বলছেন, পদ্মফুল নিয়ে নয়।

ওদের দলের ৫০০ জন ছেলে বাইরে উপস্থিত। কিন্তু ওদের গ্রেফতার না করে মার খাচ্ছে আমাদের ছেলেরা। এটা কেন করা হচ্ছে? আমাদের ছেলেদের ছাড়া না হলে আমরা থানা থেকে বেরোবো না।”

Related Articles

Back to top button