নিউজ

শপথ নিয়েই মুখ্যমন্ত্রী সাসপেন্ড করলেন কোচবিহারের পুলিশ সুপার কে

নিজস্ব প্রতিবেদন: শীতলকুচি কাণ্ডে উত্তপ্ত হয়েছিল সারা বাংলা থেকে শুরু করে সারা দেশ। জোড়পাটকির ১২৬ নম্বর বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে মৃত্যু হয়েছিল চারজনের। এই চারটি মূল কর্মীরা হলেন নুর ইসলাম মিঞা, হামিদুল মিঞা, মণিরুল মিঞা, সামিউল মিঞা। কোচবিহারের পুলিশ সুপার দেবাশীষ ধর ঘটনার ব্যাখ্যায় বলেছিলেন, “ভোটের দিন প্রায় ৩০০ জন গ্রামবাসী কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘিরে ধরেছিল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর অস্ত্র কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল, শূন্যে গুলি চালিয়েও গ্রামবাসীদের ঠেকানো যায়নি।

তাই বাধ্য হয়ে আত্মরক্ষার তাগিদে গুলি চালিয়েছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী।”এদিকে মুখ্যমন্ত্রী কোচবিহারের পুলিশ সুপারের এই বক্তব্য খারিজ করে বলেছিলেন যে, “অমিত শাহের ষড়যন্ত্রে এসপি এই কথা বলছেন। ‌ নির্বাচনে জিতলে সব দেখে নেব।”নির্বাচন কমিশন ভোটের এই আবহে কোচবিহারের পুলিশ সুপার কে কান্নানকে সরিয়ে এনেছিলো দেবাশীষ ধরকে। এবার মুখ্যমন্ত্রী পদে আসীন হয়েই দেবাশীষ ধরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

আরও পড়ুন-“কমিশন ব্যর্থ হয়েছে। পুনর্গণনার দাবি নিয়ে আমরা আদালতে যাচ্ছি”- বললেন শুভেন্দু অধিকারী

দেবাশীষ ধরকে সাসপেন্ড করে দিয়ে তার জায়গায় তিনি আবার পুনর্বহাল করলেন কে কান্নানকে।প্রসঙ্গত শীতলকুচি ঘটনায় এসপির বয়ানের পরিপ্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন যে, “২০ থেকে ২২ বছরের ছেলেগুলোকে ষড়যন্ত্র করে মেরে দিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। কোচবিহারের পুলিশ সুপার বিজেপি নির্দেশে কাজ করছে। এই ঘটনার আমি তদন্ত করাবো। আসল ঘটনা আমি বের করে তবেই ছাড়বো।”এর পরেই শপথ বাক্য পাঠ করে মুখ্যমন্ত্রী পদে আসীন হয়ে কোচবিহারের পুলিশ সুপার দেবাশীষ ধরকে সাসপেন্ড করে দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Related Articles

Back to top button