“যার হাতে নন্দীগ্রাম মামলা তিনি বিজেপির মঞ্চে।”- বিচারপতি কৌশিক চন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব হলেন কুণাল ঘোষ

“যার হাতে নন্দীগ্রাম মামলা তিনি বিজেপির মঞ্চে।”- বিচারপতি কৌশিক চন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব হলেন কুণাল ঘোষ

নিজস্ব প্রতিবেদন: একুশের ভোটে যথেষ্ট লড়াই হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে। একুশের ভোটে সকলের পাখির চোখ ছিল নন্দীগ্রাম। এই নন্দীগ্রামের মাটিতে মুখ্যমন্ত্রী কে ১ হাজার ৯৫৬ টি ভোটে হারিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী এই হার দূর্নীতিগ্রস্ত বলে প্রথম থেকেই দাবী করে এসেছেন।

ভোটের সময় থেকেই নন্দীগ্রামে যথেষ্ট উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে। শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রামের মাটিতে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন যে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে অনায়াসে হারিয়ে দেবেন। ফল ঘোষণার ৪৫ দিন পরে নন্দীগ্রামের ভোটের ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টে আপিল করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।তিনি ইলেকশন পিটিশন দায়ের করেছেন।

আরও পড়ুন-মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের আবেদন জানিয়ে বিধানসভার অধ্যক্ষকে চিঠি দিলেন শুভেন্দু অধিকারী।

গণনায় কারচুপির অভিযোগ এর পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি অভিযোগ এনেছেন মুখ্যমন্ত্রী। গতকাল শুক্রবার সকাল ১১ টায় হাইকোর্টের বিচারপতি কৌশিক চন্দ্রের এজলাসে এই মামলার শুনানি হবে এমনটাই জানা গিয়েছিলো। কিন্তু অবশেষে জানা গিয়েছে এই মামলার শুনানি শুক্রবার হবে না। পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে এই মামলার শুনানি।

আরও পড়ুন-“যারা অন্যদল থেকে নিজের ইচ্ছায় তৃণমূলে এসেছেন, তাঁদের আমরা আমন্ত্রণ জানাইনি”- বললেন তৃণমূল নেতা সুখেন্দু শেখর রায়

আদালত ঘোষণা করেছে আগামী সপ্তাহে বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানি হতে চলেছে। এই পরিস্থিতিতে বিচারপতি কৌশিক চন্দ্রের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কুণাল ঘোষ। তিনি বলেছেন,”মহামান্য বিচারপতি কৌশিক চন্দ্রের এজলাসে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা। কিন্তু বর্তমানে যে ছবিগুলি দেখা যাচ্ছে তাতে এটাই প্রমাণ হচ্ছে যে বিজেপির লিগাল সেলে বিচারপতি কৌশিক চন্দ্র উপস্থিত রয়েছেন।

আরও পড়ুন-আজ অধীর রঞ্জন চৌধুরীর নেতৃত্বে প্রদেশ কংগ্রেসের পর্যালোচনা বৈঠক হতে চলেছে রাজ্যে।

বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বক্তৃতা রাখছেন সেখানে উপস্থিত আছেন তিনি । যিনি বিজেপি দরদী, বিজেপি সমর্থক সেখানে তাঁর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে। আমি এটা বলছি যে উনি বিচারপতি হিসেবে যথেষ্ট যোগ্য, কিন্তু তাঁর মধ্যে যেহেতু বিজেপি সম্পর্কে একটি দুর্বলতা রয়েছে তাই অবচেতন মনে বিজেপির প্রতি তাঁর এই অনুভূতি তাঁর নিরপেক্ষতাকে প্রভাবিত করতে পারে।”