নিউজটেক নিউজরাজ্য

“কারা কারা পাবেন লক্ষীর ভান্ডারের পরিষেবা?”- জানিয়ে দিলো রাজ্য সরকার।

নিজস্ব প্রতিবেদন: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একুশের ভোটে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় প্রচারে গিয়ে নানান জনমোহিনী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। একুশের ভোটে জিতে সরকার গঠন করার পরেই তিনি তার প্রতিশ্রুতি রাখতে শুরু করে দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী বাংলার মহিলাদের মাসিক হাতখরচ দেওয়ার জন্য খুব শীঘ্রই চালু করতে চলেছেন লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্প। এর জন্য আগামী ১৬ ই আগস্ট থেকে দুয়ারে সরকারে লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পের আবেদন করতে পারবেন মহিলারা।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছেন, পূজার আগেই হাতে এই প্রকল্পের টাকা পেয়ে যাবেন বাংলার মা বোনেরা। এই প্রকল্পে তপশিলী জাতি এবং উপজাতি ভুক্ত মহিলারা পাবেন মাসে ১০০০ টাকা করে হাতখরচ আর সাধারণ ক্যাটাগরি ভুক্ত মহিলারা পাবেন ৫০০ টাকা করে হাতখরচ।মুখ্যমন্ত্রী আশা নিয়ে রেখেছেন যে তার এই জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের ফলে মহিলারা স্বনির্ভর হওয়ার দিকে এগিয়ে যেতে পারবেন। তিনি জানিয়েছেন যে আগামী ১৬ ই আগস্ট থেকে দুয়ারে সরকারের ক্যাম্পে এই প্রকল্পের ফর্ম তুলে তা পূরণ করে জমা দিতে পারবেন মহিলারা।

আরও পড়ুন-ট্যাংকার মালিকদের বৈঠকে বেরোলো না কোনো সমাধান। প্রবল তেল সংকটে বেশ কয়েকটি জেলা।

রাজ্যের প্রায় ১ কোটি ৩০ লক্ষ মহিলাকে এই প্রকল্পের আওতায় মাসিক হাতখরচ দেওয়া হবে।এই প্রকল্পের নথিভুক্ত হতে চাইলে, আগামী ১৬ ই আগস্ট থেকে দুয়ারে সরকারের ক্যাম্পে ফর্ম তুলতে হবে। সেই সাথে নিয়ে যেতে হবে আবেদনকারীর আধার কার্ড, স্বাস্থ্যসাথী কার্ড, ব্যাঙ্কের পাশবুক, পাসপোর্ট সাইজ কালার ফটো , এসসি-এসটি ক্যাটাগরি ভুক্ত মহিলাদের কাস্ট সার্টিফিকেট। এইসমস্ত ডকুমেন্ট গুলির আসল কপি এবং জেরক্স কপি নিয়ে দুয়ারে সরকারের ক্যাম্পে যেতে হবে মহিলাদের।

আরও পড়ুন-আগামী ২০২২ এর উচ্চ মাধ্যমিকের সিলেবাস প্রসঙ্গে নির্দেশিকা জারি করল সংসদ

জানা গিয়েছে যে সমস্ত মহিলারা ইতিমধ্যেই স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করিয়েছেন তাঁরা অবশ্যই এই লক্ষীর ভান্ডারের সুবিধা পাবেন। এছাড়াও আবেদনকারী মহিলার স্বাস্থ্যসাথী অথবা আধার কার্ড না থাকলে তাকেও এই প্রকল্পের নাম নথিভুক্ত করার সুযোগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে শিশু সুরক্ষা ও পরিবার কল্যাণ দপ্তর। তবে পেনশনভোগী মহিলাদের এই প্রকল্পে সুযোগ দেওয়া হবে না বলে জানা গিয়েছে। ‌ যে সমস্ত মহিলাদের বয়স ২৫ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে তাদেরকে এই প্রকল্পের আওতায় ধরা হবে।

আরও পড়ুন-দুর্নীতিবাজদের সমূলে উৎপাটিত করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে নতুন পদক্ষেপ নিতে চলেছে মোদী সরকার।

আধার কার্ডের সাথে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট লিঙ্ক থাকলে তবেই এই প্রকল্পের টাকা সরাসরি আবেদনকারীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা হবে। যারা নিয়মিত বেতন এবং পেনশন পান তাদের এই প্রকল্পের আওতাভুক্ত করা হবে না। জানা গিয়েছে গ্রামাঞ্চলের ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসার এবং শহরগুলিতে সাব ডিভিশনাল অফিসারগণ সমস্ত আবেদন পত্র গুলিকে যাচাই করবেন।

Related Articles

Back to top button