নিউজপলিটিক্স

“যেখানে বিজেপি জিতেছে সেখানেই বেশি অত্যাচার হচ্ছে”- রাজ্যজুড়ে হিংসাত্মক পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে বললেন মুখ্যমন্ত্রী।

নিজস্ব প্রতিবেদন: রাজ্যে বামফ্রন্টের পরাজয়ের পর তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পরেই রাজ্যজুড়ে বাম নেতা-কর্মীদের ওপর ব্যাপক আক্রমণ চালিয়েছিল তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা। এবার একুশে নির্বাচনে তৃণমূলের জয়ের পর রাজ্যজুড়ে বিস্তর হিংসা-হানাহানির ঘটনা ঘটেছে। বেশিরভাগ জায়গাতেই অভিযোগের তীর উঠেছে তৃণমূলের দিকে। জায়গায় জায়গায় ঘটেছে ভাঙচুর এবং মারধরের ঘটনা।

বিজেপি কর্মীদের বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে, কর্মীদের বাড়িতে বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। এছাড়াও বিজেপি কর্মী সমর্থকদের প্রচণ্ড মারধর করা হয়েছে এমনটাই অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের বিরুদ্ধে। এছাড়াও এক বিজেপি মহিলা কর্মীকে গণধর্ষণ করে বিষ খাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে। বিভিন্ন জায়গায় নানান হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেছে। এছাড়াও তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে বিজেপির ৬ জন কর্মীকে হত্যার।

আরও পড়ুন-রাম মন্দিরের শহরেই পঞ্চায়েত ভোটে বিপর্যস্ত বিজেপি।

রাজ্যজুড়ে হিংসার প্রতিবাদে বিজেপি গতকাল মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণের দিন, দেশজুড়ে ধর্না কর্মসূচি পালন করেছে।সুপ্রিমকোর্টে পিটিশন দাখিল করা হয়েছে বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করার উদ্দেশ্যে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গা থেকে এই সন্ত্রাসের বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, “যে কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে তার মধ্যে সবকটি সত্যি ঘটনা নয়। বিজেপি মিথ্যা ঘটনা দেখাচ্ছে, এগুলোকে বিশ্বাস করবেন না।

সমস্ত রাজনৈতিক দলের কাছে অনুরোধ করছি এসব অত্যাচার অবিলম্বে বন্ধ করে দিন। আমরা যেন সকলে শান্তিতে থাকতে পারি। আমি এসপি এবং ডিএম দের নির্দেশ দিয়েছি যাতে রাজ্যের কোথাও কোন হিংসাত্মক ঘটনা না ঘটে। কিন্তু দেখতে পাচ্ছি যেখানেই বিজেপি জয়লাভ করেছে সেখানেই সবথেকে বেশি সন্ত্রাস চলছে। নির্বাচন কমিশন গত তিনমাস রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা নিজের হাতে নিয়েছিল। গত তিন মাস আইন-শৃঙ্খলায় যথেষ্ট অবনতি ঘটেছে।”

Related Articles

Back to top button