“ফেসবুকে যখন তখন যা খুশি বলা যাবে না।”- ফেসবুক লাইভ প্রসঙ্গে মদন মিত্রকে ভর্ৎসনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী।

“ফেসবুকে যখন তখন যা খুশি বলা যাবে না।”- ফেসবুক লাইভ প্রসঙ্গে মদন মিত্রকে ভর্ৎসনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী।

নিজস্ব প্রতিবেদন: আজ তৃণমূল ভবনে সাংগঠনিক বৈঠক করছেন মুখ্যমন্ত্রী। জানা গিয়েছে ওই বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন জেলা সভাপতি, সাংসদ, পুর প্রশাসক এবং বিধায়করা । এই বৈঠকে মদন মিত্রকে লাইভ ভিডিও প্রসঙ্গে ভর্ৎসনা করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মদন মিত্রের আরেকটি লাইভ ভিডিও ভাইরাল হয়েছে যেখানে তাঁকে দেখা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আবেদন জানাতে।

মদন মিত্র এই ভিডিওতে মুখ্যমন্ত্রীকে বলেছেন, “আমি মন্ত্রীত্ব‌ও চাইনি, আমি এম‌এল‌এ হতেও চাইনি। আপনি যদি সত্যি কথা স্বীকার করেন তাহলে আমি আপনার কাছে বিধানসভার নমিনেশন‌ও চাইনি‌ । আমি ধরেই নিয়েছিলাম যে আপনি আমাকে নমিনেশন দিতেও পারেন আবার নাও দিতে পারেন। । যদি দেন আপনার দয়া। আমি আপনার দয়াতেই জিতেছি। তিনবার জিতেছি। খালি কমিশন।

আরও পড়ুন-মুকুল রায়ের স্ত্রীকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন লকেট। ছিলেন না মুকুল, শুভ্রাংশু।

জি প্লাস থ্রি ফোর করবো পঞ্চাশ লাখ, জি প্লাস ফোর ফাইভ করবো পঞ্চাশ লাখ কমিশন। মানুষ আর পারছে না। আপনি একটু নজর দিন। আপনি আমাকে যদি বলেন এম‌এল‌এ পদ থেকে পদত্যাগ করুন আমি এক্ষুনি পদত্যাগ করবো। আমি কামারহাটি পুরসভার প্রশাসক হতে চাইছি। আমি মদন মিত্র, আমি লড়তে রাজী আছি। আমাকে কামারহাটি পুরসভার প্রশাসক করে দিলে আমি তিনমাসের মধ্যে কামারহাটিকে পাল্টে দেবো।”

আরও পড়ুন-“অবসরপ্রাপ্ত আমলাদের পুনর্নিয়োগের বাধ্যতামূলক হবে ভিজিল্যান্সের ছাড়পত্র।”- জারি হল নির্দেশিকা।

এই ভিডিওর পরিপ্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মদন মিত্রকে ভর্ৎসনা করে বলেছেন, “সোশ্যাল মিডিয়ায় যখন তখন ইচ্ছামতো যা খুশী বলা যায়না। এগুলোর দিকে এবার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।”মদন মিত্র এই বৈঠকের পর বলেছেন, “দারুণ কমিটি গঠিত হয়েছে। এখন আমরা সবাই এককাট্টা হয়েছি।”