কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মুখ্যমন্ত্রী যখন ডি.লিট সম্মান পেয়েছিলেন তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন আলাপন পত্নী সোনালী বন্দ্যোপাধ্যায়।

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মুখ্যমন্ত্রী যখন ডি.লিট সম্মান পেয়েছিলেন তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন আলাপন পত্নী সোনালী বন্দ্যোপাধ্যায়।

নিজস্ব প্রতিবেদন: আইএএস অফিসার তথা পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে তুঙ্গে উঠেছে কেন্দ্র-রাজ্য তরজা। বর্তমানে মুখ্যসচিবের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এখন মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্য উপদেষ্টা। আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী সোনালী বন্দোপাধ্যায় ছিলেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। তাঁর উপাচার্য থাকাকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডি.লিট সম্মান দিয়েছিলো কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় যা নিয়ে ব্যাপক বিতর্কের সুত্রপাত হয়েছিলো।

উপাচার্য নির্বাচন নিয়ে তখন যথেষ্ট বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল। সোনালী বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার। ‌ এই রেজিস্টার হল একটি প্রশাসনিক পদ এবং উপাচার্য হলো শিক্ষকতার পদ। তাই উপাচার্য পদে সোনালী বন্দ্যোপাধ্যায়ের আসীন হওয়া নিয়ে যথেষ্ট জলঘোলা হয়েছিল। এই সংক্রান্ত একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে। এরপর মুখ্যমন্ত্রীকে ডি.লিট সম্মান প্রদান করায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে যথেষ্ট বিতর্কের মধ্যে পড়তে হয়েছিল।

আরও পড়ুন-“অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনীতিতে নাবালক।”- বললেন শুভেন্দু অধিকারী।

সাহিত্যকর্ম এবং সেবামূলক কাজের জন্য ২০১৭ সালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডি.লিট উপাধি দিয়েছিলো কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়।তৎকালীন সময়ে বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিমান বসু মন্তব্য করেছিলেন, ‘রাজ্য সরকার যে বিশ্ববিদ্যালয়কে অনুদান প্রদান করছে আবার সেই বিশ্ববিদ্যালয় মুখ্যমন্ত্রীকে ডি.লিট দিচ্ছে। এটা খুবই অদ্ভুত বিষয়।’এই প্রসঙ্গে মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ‘আমার জীবনটা হল অবহেলা , অসম্মানে পরিপূর্ণ। কেউ যদি আমাকে সম্মান জানায় সেই পরিস্থিতিতেও আমাকে অসম্মানিত হতে হয়।’