কসবা ভ্যাকসিন কান্ডে ভুয়ো আইএএসের প্রসঙ্গে কি বললেন ফিরহাদ হাকিম?

কসবা ভ্যাকসিন কান্ডে ভুয়ো আইএএসের প্রসঙ্গে কি বললেন ফিরহাদ হাকিম?

নিজস্ব প্রতিবেদন: গত মঙ্গলবার মিমি চক্রবর্তীর উপস্থিতিতে যাদবপুর কেন্দ্রের কসবায় তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের দেওয়া হয়েছিলো করোনার ভ্যাকসিন, সেখানেই মিমিও করোনার প্রথম ভ্যাকসিন নিয়েছিলেন। প্রাইড মান্থ উপলক্ষে এই করোনা ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যবস্থা করেছিলো ওই সংস্থা যেখানে আমন্ত্রিত ছিলেন মিমি। রূপান্তরকামীদের এবং তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেওয়ায় সকলেই এই উদ্যোগের করেছেন। এই কেন্দ্রে শুধুমাত্র তৃতীয় লিঙ্গের মানুষরা ছাড়াও বিশেষভাবে সক্ষম মানুষেরাও ভ্যাকসিন নিয়েছেন।

কিন্তু এখানে ভ্যাকসিন নিয়েই খটকা লাগে মিমির। কসবার ১০৭ নম্বর ওয়ার্ডে এই শিবিরে ভ্যাকসিন নিলেও মিমির ফোনে কোনো মেসেজ আসেনি। ওখানে যারা যারা ভ্যাকসিন নিয়েছেন কারো ফোনেই কোনো মেসেজ আসেনি। এরপরই তিনি সার্টিফিকেটের খোঁজ করলে ক্যাম্প থেকে তাকে জানানো হয় যে অন্তত চার দিন পরে সার্টিফিকেট পাওয়া যাবে।

আরও পড়ুন-মিমি চক্রবর্তীর উদ্যোগে ধরা পড়লো জাল ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পের পান্ডা

এই ধরনের বিভ্রান্তি সৃষ্টি হওয়ায় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেন মিমি চক্রবর্তী। ‌ তারপরেই ওই ক্যাম্পের আয়োজক দেবাঞ্জন দেবকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জানা গিয়েছে ওই ব্যক্তি নিজেকে আইএএস দাবি করে কলকাতা পুরসভার যুগ্ম কমিশনারের পদ ব্যবহার করে তাঁর স‌ই জাল করে কেএমসির নামে নকল ক্যাম্প চালাচ্ছিলেন । এছাড়াও পুরসভার লোগো দেওয়া মাস্ক-স্যানিটাইজার ব্যবহার করা হয়েছিল এই ক্যাম্পে।

আরও পড়ুন-বিজয় মালিয়া, মেহুল চোকসি এবং নীরব মোদীর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ৯ হাজার কোটি টাকা ফিরিয়ে দিলো ইডি।

এই ভুয়ো আইএএসের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন বর্তমান পরিবহনমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেছেন, “তদন্ত করে দেখা হচ্ছে যে ওই ভুয়ো ভ্যাকসিন সেন্টারে যে সমস্ত ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছিলো সেগুলো কোন বেসরকারি সংস্থা থেকে কেনা হয়েছিলো। এখানে পৌরসভার কোনো অ্যালটমেন্ট ছিলো না। দেবাঞ্জন ধরকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এই টিকা টি কেন দেওয়া হয়েছে , এর উদ্দেশ্য টা কি ছিলো , সেই বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। পৌরসভার কেউ এর সাথে যুক্ত নয়। কার অ্যাপ্রুভাল নিয়ে এই ক্যাম্প খোলা হয়েছিলো সেই ব্যাপারে তদন্ত করা হচ্ছে।”