“আমরা কেএল‌ও জঙ্গীদের পুনর্বাসন দিয়েছি।”- মালদার জনসভা থেকে বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

“আমরা কেএল‌ও জঙ্গীদের পুনর্বাসন দিয়েছি।”- মালদার জনসভা থেকে বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

নিজস্ব প্রতিবেদন: বাংলা দখলের জন্য সম্মুখ সমরে নেমেছে তৃণমূল বিজেপি। শক্তি সঞ্চয় করে একই যুদ্ধে শামিল হয়েছে বাম সংযুক্ত মোর্চা‌ও। একুশের ভোটে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে তিনটি দলের মধ্যে। কে ছিনিয়ে নেবে বাংলার সিংহাসন , তা দেখা এখন শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর পায়ের চোট অগ্রাহ্য করেই একমাসের‌ও বেশী সময় ধরে বাংলার একপ্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ছুটে বেড়াচ্ছেন।

যে কোনোভাবেই তিনি বাংলার মাটিতে তৃণমূলের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে বদ্ধপরিকর। বিভিন্ন জনসভায় থেকে তিনি বাংলার মানুষের কল্যাণার্থে বিভিন্ন প্রকল্পের কথা বলেছেন। এছাড়াও তিনি বিগত দশ বছরের উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরেছেন। মালদার জনসভা থেকে তিনি বলেছেন,“করমপুজোতে আমরা ছুটি দিই। যা হয়নি তা আমরা করতে বলেছি। কিষাণ জাতি ছাড়া আরো বেশ‌কয়েকটি জাতিকে আমরা মন্ডল কমিশনের স্বীকৃতি দিয়েছি।

আরও পড়ুন-কাপড়ের মাস্ক পড়লে কি কি সতর্কতা নেবেন ? জানালো WHO

তাদের নিয়ে আমরা একটা এক্সপার্ট গ্রুপ তৈরি করেছি। মালদা এবং জলপাইগুড়ির বুকে অনেক কেএল‌ও ছিলো। আমরা প্রায় ৩ থেকে ৪ হাজার অ্যাকটিভিস্টদের হোমগার্ডের চাকরি দিয়েছি। তারা নিজেরা সমাজে কাজ করছে। আমরা কিষাণমান্ডি তৈরি করেছি। ৭০ হেক্টর জমিতে এখানে আনারসের চাষ হচ্ছে।

এখানে আমের চাষে নতুন দিগন্ত সৃষ্টি করেছি। ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট বানিয়েছি। উদ্বাস্তুদের পাট্টা দিচ্ছি, আদিবাসীদের চাকরি দিচ্ছি। আদিবাসী এলাকায় ন্যাচারাল গ্যালারি বানিয়ে দিয়েছি। আদিবাসীদের কাস্ট সার্টিফিকেট দিয়েছি। ৫৬ লক্ষ কাস্ট সার্টিফিকেট আমরা দিয়েছি। যার মধ্যে ৬ লক্ষ কাস্ট সার্টিফিকেট দিয়েছি। কন্যাশ্রী , শিক্ষাশ্রী দিচ্ছি। আমরা মা বোনেদের মাসে ৫০০ টাকা হাতখরচ দেবো, আর এসসি, এসটিদের জন্য ১০০০ টাকা প্রতিমাসে দেবো।”