“নোটবন্দীর মতো গৃহবন্দী চাইছি না আমরা”- লকডাউন প্রসঙ্গে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

“নোটবন্দীর মতো গৃহবন্দী চাইছি না আমরা”- লকডাউন প্রসঙ্গে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদন: রাজ্যের মাটিতে হু হু করে বাড়ছে সংক্রমণ। মানুষ জনের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে মৃত্যু ভয়ের আতঙ্ক। এমতাবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে বলেছিলেন, লকডাউন হল করোনা মোকাবিলার শেষ অস্ত্র । এই বক্তব্যের পরেই যথেষ্ট আতঙ্ক ছড়ায় বাংলার মানুষ জনের মধ্যে। এমনিতেই ভোটের এই আবহে সাংঘাতিক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে আক্রান্তের সংখ্যা। মানুষজন আবার প্রথম পর্যায়ে লকডাউনের সেই সংকটময় দিনগুলির কথা ভেবে অত্যন্ত শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।

লকডাউনের প্রথম পর্যায়ে মানুষজন দেখেছেন বাস্তবের বীভৎসতা কতখানি ‌ বহু মানুষ শেষ সম্বল কে পাথেয় করে ফিরে এসেছেন তাদের জন্মভূমিতে। পরিযায়ী শ্রমিকদের অনেকেই পায়ে হেঁটে মাইলের পর মাইল পার হয়ে তাদের বাড়িতে ফিরতে গিয়ে পথেই প্রাণ হারিয়েছেন। না খেতে পেয়ে আত্মহত্যার মতো চরম পরিণতি বেছে নিয়েছেন অনেকেই। এহেন সেই লকডাউন আবার ফিরে আসতে পারে এই আশঙ্কায় তটস্থ রাজ্যবাসী।

আরও পড়ুন-“ভ্যাকসিন নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচার চালাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী।”- বললেন বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনের কাছে অনুরোধ করেছিলেন যে শেষ তিন দফার ভোট একদফায় সম্পন্ন করে দিতে। কিন্তু তার এই অনুরোধ নাকচ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন যে নির্বাচনের কারণে বাইরে থেকে অনেক লোকের আগমন ঘটছে বাংলার মাটিতে। এরফলেই বাড়ছে সংক্রমণ।

লকডাউন প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, “লকডাউন এখনই করছি না, এক বছর ধরে বাংলার মানুষের ব্যবসার অবস্থা খুবই শোচনীয়। যারা হকারি করে দু’মুঠো অন্নের সংস্থান করেন তাদের অবস্থা খুব শোচনীয়। কিন্তু তবুও সবাইকে বলছি সবাই খুব সাবধানে থাকুন , কাজকর্ম বন্ধ করে ঘরে বসে থাকার পরামর্শ আমি দিচ্ছি না। নোট বন্দির মত গৃহবন্দি করবো না আমরা।”