ষষ্ঠ দফা ভোটের আগেই হিংসা হানাহানি বাংলায়। অর্জুন সিং এর বাড়ির সামনে পড়লো বোমা।

ষষ্ঠ দফা ভোটের আগেই হিংসা হানাহানি বাংলায়। অর্জুন সিং এর বাড়ির সামনে পড়লো বোমা।

নিজস্ব প্রতিবেদন: একুশের ভোটে অত্যন্ত উত্তপ্ত পরিস্থিতি রাজ্যে। ‌ তৃণমূল এবং বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে হিংসা হানাহানি ঘটনা ঘটছে সর্বত্র। ‌ প্রথম দফার ভোটে শান্তি বিরাজ করলে অনেকেই আশ্বস্ত হয়েছিলেন যে এবারে হয়তো শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হবে বিধানসভা ভোট। কিন্তু সকলের এই চিন্তাভাবনাকে ভুল প্রমাণ করে দ্বিতীয় দফার প্রারম্ভ থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে রাজ্যজুড়ে যথেষ্ট ঝামেলা অশান্তি।

নন্দীগ্রামে প্রাণ গিয়েছে কয়েকজন মানুষের। কোচবিহারের শীতলকুচি তে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে মারা গিয়েছেন ৪ তৃণমূল সমর্থক। ওই এক‌ই বুথে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে এক ১৮ বছর বয়সী তরুণের। এছাড়াও রাজ্যের বিভিন্ন মিটিং-মিছিল, জনসভা, রোড শো থেকে বিচ্ছিন্ন গন্ডগোলের খবর পাওয়া যাচ্ছে। উন্মত্ত পশুর মতো একে অপরের সাথে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ছে রাজনৈতিক দলের অনুগামীরা।

আরও পড়ুন-“মতুয়ারা কি নাগরিক নন?”- বিজেপিকে প্রশ্ন মমতার

টিটাগড়ে একটি ক্লাবের মধ্যে বিস্ফোরণে প্রাণ গিয়েছে একজনের। আহত আরেকজন।এবার জানা গিয়েছে ষষ্ঠ দফার ভোটের আগে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে জগদ্দল। বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং এর বাড়িতে ছোঁড়া হয়েছে বোমা। গতকাল রাতে অর্জুন সিং এর বাড়ির সামনে পরপর বোমা ছোড়ে বেশ কিছু দুষ্কৃতী। ‌ বোমা ছোড়ে ঘটনাস্থল থেকে পালায় তারা। ‌ তারপরেই পুলিশ আসে ওই ঘটনাস্থলে। সেখানেই পুলিশের সাথে তুমুল বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন অর্জুন সিং। ‌

অর্জুন সিং অভিযোগ করে বলেছেন যে, “আমার বাড়ির সামনে মহিলারা বসে পুজো পাঠে মগ্ন ছিল। তল্লাশি নাম করে তাদেরকে মারধর করে পুলিশ আমাকেও অশ্রাব্য ভাষায় গালাগালি দেয়। ‌ তৃণমূলের নির্দেশেই পুলিশরা সাধারণ মানুষকে মারধর করছে। ‌ গতকাল সমস্ত পুলিশকর্মী মদ্যপ ছিল। অকারনে সাধারণ মানুষকে হেনস্তা করছে পুলিশকর্মীরা।”