নিউজপলিটিক্সরাজ্য

“তৃণমূলীদের টাকা দিলেই পাওয়া যাচ্ছে ভ্যাকসিনের কুপন”- আবার তৃণমূলকে একহাত নিলেন সৌমিত্র খাঁ।

নিজস্ব প্রতিবেদন: আবার তৃণমূলের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। গতকাল‌ই তিনি উত্তরবঙ্গ বিভাজন ইস্যুতে রাঢ়বঙ্গের বিভাজনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বিজেপির অস্বস্তি বাড়িয়েছেন। আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সভাপতি জন বারলা উত্তরবঙ্গের বিভাজনের দাবিতে সরব হয়েছেন। ঠিক তাকেই কার্যত সমর্থন করে সৌমিত্র খাঁ বাঁকুড়া, পুরুলিয়া , জঙ্গলমহল কে নিয়ে রাঢ়বাংলা বিভাজনের দাবী তুলেছেন।

এমনিতেই বিজেপিকে তৃণমূল সহ বিরোধী দলগুলো আক্রমণ করছে যে বিজেপি বঙ্গভঙ্গের ষড়যন্ত্র করে চলেছে। এই অভিযোগের তীর গা থেকে ঝেড়ে ফেলার আগেই সৌমিত্র খাঁ এবং উত্তরবঙ্গের আরো দুইজন বিধায়কের মন্তব্যে যথেষ্ট অস্বস্তির পাঁকে প্রোথিত হয়ে গিয়েছে বিজেপি। এবার করোনা ইস্যুতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে কটাক্ষ করেছেন সৌমিত্র খাঁ। তিনি একটি প্রতিবেদন শেয়ার করেছে, এই প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে,”রাত দুটো থেকে লাইন দিয়েও ভ্যাকসিন পাচ্ছেন না মানুষজন। ‌অথচ কুপন চলে যাচ্ছে দালালদের হাতে।

আরও পড়ুন-“বিজেপি করার প্রায়শ্চিত্ত করলাম।”- মাথা ন্যাড়া হয়ে বিজেপি থেকে তৃণমূলে যোগদান ৫০০ জন কর্মীর।

সেই কুপন দালালরা বিক্রি করছে প্রায় ১০০০ টাকায়। বর্ধমানের বিভিন্ন জায়গায় ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী প্রতিদিন ৫০ টি করে কুপন বিলি হওয়ার কথা। কিন্তু এই কুপন সোজা পৌঁছে যাচ্ছে বর্ধমানের বিভিন্ন তৃণমূল নেতাদের কাছে।

আরও পড়ুন-“আমরা নিরাপত্তা দিতে পারছি না বলেই কর্মীরা দল ছেড়ে চলে যাচ্ছে ।”- মন্তব্য দিলীপ ঘোষের।

সেই কুপন বিক্রি করছেন তৃণমূল নেতারা যার দরুন সাধারণ মানুষ ঘন্টার পর ঘন্টা ঘর্মাক্ত শরীরে লাইনে দাঁড়িয়ে কুপন পাচ্ছেন না, ফিরে যাচ্ছেন বাড়ি। যেমন বর্ধমানের সংস্কৃতি লোকমঞ্চ হকারদের ভ্যাকসিন দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দেখা গেছে যারা হকারদের নামে ভ্যাকসিন নিতে এসেছে তাদের মধ্যে সিংহভাগ হকার নন।”এই প্রতিবেদন শেয়ার করে সৌমিত্র খাঁ লিখেছেন, “বাংলার লজ্জা তৃণমূল।

মোদীজী গোটা দেশের মানুষকে ফ্রিতে ভ্যাকসিন দিয়েছে।”টুইটারে এই পোস্টে তিনি ট্যাগ করেছেন রাজ্য তৃণমূল নেতৃত্বকেও।

Related Articles

Back to top button