“১২ বছরের পর্যন্ত শিশুদের মায়েদের টীকাকরণে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।”- ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী।

“১২ বছরের পর্যন্ত শিশুদের মায়েদের টীকাকরণে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।”- ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী।

নিজস্ব প্রতিবেদন: খুব শীঘ্রই ভারতে আসলে পড়তে চলেছে করোনার তৃতীয় ঢেউ। ‌ এই তৃতীয় ঢেউয়ের শিকার হতে পারেন শিশুরাও এমনটাই সর্তকতা জারি করেছে চিকিৎসকরা। ‌ তাই এই পৃথিবীর কথা মাথায় রেখে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার শিশুদের জন্য নির্ধারিত বেডের সংখ্যা বৃদ্ধি করেছে। ‌ জানা গিয়েছে সদ্যোজাত দের জন্য আইসিইউ এর বেড সংখ্যা বৃদ্ধি করে করা হয়েছে ১৩০০ টি।

এস‌এনসিইউয়ের বেড সংখ্যা বৃদ্ধি করে করা হয়েছে ৩৫০ টি। এছাড়াও সরকারি হাসপাতালে শিশুদের জন্য যে সমস্ত জেনারেল বেডে গুলির হয়েছে সেগুলি ব্যাপক সংখ্যায় বৃদ্ধি করা হয়েছে। প্রায় ১০ হাজার জেনারেল বেড বৃদ্ধি করা হয়েছে।তৃতীয় ঢেউয়ের বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রেখে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছিল রাজ্য সরকার।

আরও পড়ুন-ভারত খুব শীঘ্রই এক বিশ্ব এক স্বাস্থ্যের পথ দেখাবে সকলকে।”- যোগদিবসে বললেন প্রধানমন্ত্রী

‌ গত রবিবার এই মর্মে প্রতিটি জেলার স্বাস্থ্যকর্তাদের সাথে একটি ভার্চুয়াল বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে স্বাস্থ্য ভবনে। ‌ গত সোমবার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে গত বুধবার থেকেই সারা রাজ্যের মধ্যে চিকিৎসক, নার্স এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে তৃতীয় ঢেউয়ের মোকাবিলার জন্য।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্ন থেকে ঘোষণা করেছেন যে, “করোনার টিকাকরনের হার বৃদ্ধি করার পাশাপাশি ১২ বছর পর্যন্ত শিশুদের মায়েদের টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন-আজ থেকে রাজ্যের ১৮ ঊর্ধদের দেওয়া হবে করোনার বিনামূল্যে ভ্যাকসিন।

বর্তমানে বাংলার বুকে মোট ৩৩ লক্ষ সুপার স্প্রেডারকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। বাংলার জন্য ২ কোটি ডোজ দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের কাছে আমরা মোট ৩ কোটি ভ্যাকসিন চেয়েছিলাম, কিন্তু কেন্দ্র দেয়নি। প্রতিদিন আমরা প্রায় ৩ লক্ষ মানুষকে টিকা দিচ্ছি।

কিন্তু চাহিদা মতো টিকা না পাওয়ার জন্য আমরা ঠিকমতো নির্দিষ্ট সংখ্যক মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়া সম্ভবপর হচ্ছে না। আগামী জুলাই মাসের মধ্যেই আমরা ৭০ লক্ষ মানুষকে ভ্যাকসিন দিয়ে দেবো।”