নিউজকলকাতাপলিটিক্সরাজ্য

“আর্থিক অনুদান না দিয়ে নিজেদের কর্মীদের ভ্যাকসিন দিন।”- বণিকসভার বৈঠকে বললেন মুখ্যমন্ত্রী।

নিজস্ব প্রতিবেদন: সারা রাজ্য জুড়ে রীতিমতো ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে করোনা ভাইরাস। তবে গত কয়েকদিন ধরেই দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা হলেও কমেছে বলে জানা গিয়েছে। এখনো পর্যন্ত বাংলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন মোট ১৪ লক্ষ ৩ হাজার ৫২৫ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৫ হাজার ৯২১ জনের। সুস্থ্য হয়েছেন ১৩ লক্ষ ২৫ হাজার ৮৩৪ জন।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গত সোমবার বলেছেন যে, “সারা ভারতের মধ্যে এখনো টীকা দেওয়ায় শীর্ষস্থানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ।

এখনো পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের ১ কোটি ৪১ লক্ষ মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে ১.১ কোটি মানুষকে এবং দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে ৪০ লক্ষ মানুষকে। ১১৪ কোটি টাকা খরচ করে মে মাসে ১৮ লক্ষ এবং জুন মাসে আরো ২২ লক্ষ ডোজ কিনেছে রাজ্য।”গতকাল বৃহস্পতিবার বণিকসভার ২৮ টি সংগঠনকে নিয়ে বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন-“কে কেন দেখা করতে গিয়েছিলেন জানিনা”- হাসপাতালে মুকুলের স্ত্রীকে দিলীপ ঘোষের দেখতে যাওয়া নিয়ে মন্তব্য মুকুলের।

তিনি এই বৈঠকে টীকাকরণের উপর গুরুত্ব আরোপ করতে বলেছেন। পরিচারিকাদের, চটকল শ্রমিকদের, নির্মাণ শ্রমিকদের টীকাকরণের উপর তিনি গুরুত্ব দিয়েছেন।গতকাল নবান্নের বণিকসভার বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন,”রাজ্য অথবা দেশের ভয়াবহ পরিস্থিতিতে বণিকসভার বিশাল ভূমিকা রয়েছে।আপনারা সকলে সেই ভূমিকা যথাযথভাবে পালন করুন। আপনারা নিজেরা টিকা কিনে আপনাদের কর্মীদের টিকা দিন।

আরও পড়ুন-মাত্র ৭ দিনে ভেঙে পড়ল বাংলার পথশ্রী প্রকল্পের তৈরি রাস্তা। ক্ষোভ প্রকাশ করে বাকি থাকা কাজ বন্ধ করে দিলো স্থানীয় মানুষজন।

ধরে নিন আপনারা ত্রাণ তহবিলে দান করেছেন। এই মুহূর্তেই আমরা প্রচুর করোনার টিকা কিনেছি। বিনামূল্যেই প্রতিটি রাজ্যবাসীকে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা নিচ্ছি। ‌ কিন্তু এখনো পর্যন্ত কেন্দ্রের কাছ থেকে আমরা যথেষ্ট পরিমাণ টিকা পাইনি। তাই এক্ষেত্রে টিকাকরণের কাজে বণিকসভা গুলিকে এগিয়ে আসতে হবে। ভ্যাকসিন কেনার ক্ষেত্রে সমস্যা হলে রাজ্য সরকার এগিয়ে আসবে। ১৫ টি সংস্থা নিয়ে গঠিত হবে একটি ব্যবস্থাপনা ক্ষেত্র যার মাধ্যমে সুষ্ঠু ভাবে ভ্যাকসিন বন্টন করা হবে।”

Related Articles

Back to top button