নিউজআন্তর্জাতিকদেশ

সালেহ’র দক্ষ নেতৃত্বে আবার স্বমহিমায় আফগান সেনা। একটি এলাকা করা হল তালিবান দখল মুক্ত।

নিজস্ব প্রতিবেদন: তালিবানের কব্জায় আফগানিস্তানের মাটি। তালিবানের রাজধানী কাবুল দখল করেই সরকার গড়ার পথে তালিবান। ইতিমধ্যেই আফগানিস্তানে শরীয়তী আইনবিধি চালু করে দিয়েছে তালিবান। বিগত ২০ বছর পর আবার তালিবানের ক্ষমতায় আসার পরেই যথেষ্ট আতঙ্কিত সাধারণ মানুষ। দেশ ছেড়ে অনিশ্চয়তার পথে যাত্রা করেছেন অনেকেই।

হাজার হাজার আফগান তালিবানের দাসত্বের শৃঙ্খলে আবদ্ধ না থাকতে চেয়ে প্রাণ হাতে করে বিমানের চাকা পর্যন্ত ধরে দেশ ছাড়ার চেষ্টা করেছেন। যদিও তালিবান আশ্বাস দিয়েছে যে সাধারণ নাগরিকদের তারা কোনো ক্ষতি করবে না, তবুও আফগান মানুষেরা আশ্বস্ত হতে পারছেন না। আফগান মহিলারাও তাঁদের স্বাধীনতা ভুলুন্ঠিত হওয়ার আতঙ্কে দিনযাপন করছেন।

ভারত, আমেরিকা এবং অন্যান্য দেশগুলি ইতিমধ্যেই তাদের বেশীরভাগ নাগরিকদের আফগানিস্তানের মাটি থেকে নিয়ে চলে এসেছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানিয়েছেন যে তিনি আফগানিস্তানের মানুষের সাথে রয়েছেন।এই আবহের মধ্যে অত্যন্ত বীরত্বের পরিচয় দিচ্ছেন আফগানিস্তানের উপরাষ্ট্রপতি অমরুল্লাহ সালেহ। তিনি আফগানিস্তানের সংরক্ষক রাষ্ট্রপতি বলেই নিজেকে দাবী করেছেন এবং তিনি টুইট করে বলেছেন যে ,

আরও পড়ুন-“কোন দেশের ভয় পাওয়ার কারণ নেই।”- প্রতিবেশী দেশগুলোকে বার্তা তালিবানের

“আফগানিস্তানে সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অনুপস্থিতি, তাঁর দেশ ত্যাগ এবং তাঁর মৃত্যুর পর উপরাষ্ট্রপতি কার্যবাহ রাষ্ট্রপতি পদে আসীন হতে পারেন, তাই আমি আইনগতভাবে কেয়ারটেকার রাষ্ট্রপতি। আমি সমস্ত নেতাদের থেকে সমর্থন নেওয়ার জন্য তাদের সাথে যোগাযোগ রাখছি।”এই সালেহর নেতৃত্বে এবার আফগান সেনা আবার লড়াইয়ের মনোবল ফিরে পেয়েছেন।

আরও পড়ুন-“কেউ ভয় পাবেন না, আপনারা কাজে ফিরুন।”- আফগান নাগরিকদের আশ্বাস দিলো তালিবানরা।

ইতিমধ্যেই সালেহ’র সেনা পরবানের চরিকার অঞ্চল থেকে তালিবানদের খেদিয়ে দিয়ে ওই অঞ্চল তালিবান দখলমুক্ত করে নিয়েছে। পঞ্জশীর এলাকায় এখনও আফগান সেনা এবং তালিবানদের মধ্যে ভয়াবহ লড়াই চলছে বলে জানা গিয়েছে।দশ হাজার আফগান সেনাকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন সেনাবাহিনীর জেনারেল আবদুল শরীফ। সারা বিশ্ব আফগান সেনাবাহিনীর সফলতা কামনা করেছে। সকলেই চাইছে জেহাদী তালিবানের কবজা থেকে মুক্ত হোক আফগানিস্তানের মানুষ। আবার সকলে স্বাধীনভাবে নিঃশ্বাস নিক।

Related Articles

Back to top button