নিউজপলিটিক্সরাজ্য

“দেবাংশু’দের কোনো প্রাথমিক চিকিৎসা করায়নি ত্রিপুরা পুলিশ”- এস‌এসকেএম চত্বর থেকে বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

নিজস্ব প্রতিবেদন: ত্রিপুরা পুলিশ গ্রেফতার করেছিলো দেবাংশু দের। পুলিশ অভিযোগ করেছিল যে দেবাংশু ভট্টাচার্য, সুদীপ রাহা, জয়া দত্ত, তৃণমূল কর্মীদের নিয়ে বিধিনিষেধ আইন লঙ্ঘন করেছেন। খোয়াই থানায় পুলিশ আধিকারিক দের সাথে তীব্র বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েছিলেন তৃণমূল নেতারা। পুলিশ আধিকারিক দের সাথে তীব্র বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েছিলেন ব্রাত্য বসু, কুনাল ঘোষ, এবং দোলা সেনরা ।

খোয়াই থানার ভীতরে সমানে বসেছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনিও পুলিশ আধিকারিক দের সাথে তীব্র বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। অভিষেক অভিযোগ করেছেন যে দেবাংশু দের গ্রেপ্তার করার পর থেকে সারা রাত তাদেরকে খেতে দেয়নি পুলিশ। এরপর আদালতে যুব তৃণমূল নেতাদের জামিন মঞ্জুর হয়। ‌

আরও পড়ুন-“অমিত শাহের নির্দেশ ব্যতীত বিপ্লব দেবের এত সাহস হতো না।”- ত্রিপুরা কান্ডে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

খোয়াই থানা থেকে বের হয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তীব্র আক্রমণ শানিয়েছিলেন ত্রিপুরার বিজেপি নেতৃত্বের প্রতি।গতকাল রাতেই ত্রিপুরা থেকে দেবাংশু ভট্টাচার্য, সুদীপ রাহা, জয়া দত্ত দের নিয়ে কলকাতা প্রত্যাবর্তন করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরেই চিকিৎসার জন্য দেবাংশু ভট্টাচার্য, সুদীপ রাহা, জয়া দত্ত কে এস‌এসকেএম হাসপাতালের উডবার্ন ওয়ার্ডে ভর্তি করান তিনি।এদিকে হাসপাতাল চত্বর থেকে দেবাংশু কড়া আক্রমণ শানিয়েছেন ত্রিপুরা বিজেপির প্রতি।

তিনি বলেছেন, “কলকাতা থেকে যারা যাচ্ছে তাদের উপরেই আক্রমণ করছে ত্রিপুরার বিজেপি সরকার। ত্রিপুরার মাটিতে গুন্ডারাজ চালাচ্ছে বিপ্লব দেবের সরকার।”আজ ঝাড়গ্রাম র‌ওনা হ‌ওয়ার আগে চিকিৎসাধীন জয়া দত্ত, সুদীপ রাহাদের দেখতে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন দেবাংশু।

আরও পড়ুন-আক্রান্ত তৃণমূল নেতাদের নিয়ে কলকাতা প্রত্যাবর্তন করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

মুখ্যমন্ত্রী এস‌এসকেএম চত্বর থেকে সাংবাদিকদের অভিযোগ করেছেন যে,”ত্রিপুরায় তৃণমূল যুব নেতা এবং ছাত্র-ছাত্রীদের উপরে পাথর ছোঁড়া হয়েছে, গুলি চালানো হয়েছে , তাদের মারধর করা হয়েছে। যুব নেতাদের গাড়ি ভেঙে দেওয়া হয়েছে, মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে। সবথেকে আশ্চর্য পুলিশের সামনে দাঁড় করিয়ে মেরেছে, এবং মারার পর ৩৬ ঘন্টা কোনো চিকিৎসা করতে দেওয়া হয়নি। এমনকি ততক্ষণ ওদের এক গ্লাস জল খেতে দেওয়া হয়নি ।

আরও পড়ুন-ভবানীপুর উপ নির্বাচনের জন্য নতুন স্লোগান তুলে প্রচার শুরু করল তৃণমূল।

ওরাই মারলো, ওরাই গ্রেফতার করলো। বিজেপির যে কোনো রাজ্যে স্বেচ্ছাচারিতা চালানো হচ্ছে। আসাম, উত্তরপ্রদেশে বিরোধী নেতা নেত্রীদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। ত্রিপুরায় যা হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশে হয়েছে। না হলে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর এত সাহস হতো না।

ছাত্র-ছাত্রীদের উপরে আক্রমণ করা হয়েছে। ‌ এর পরিপ্রেক্ষিতে সমস্ত ছাত্রসমাজের গর্জে ওঠা উচিৎ। আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি।”

Related Articles

Back to top button