নিউজদেশপলিটিক্স

আগরতলায় পিকের টিমকে আটকে রাখলো ত্রিপুরার পুলিশ। নালিশ পৌঁছালো বাংলাতে।

নিজস্ব প্রতিবেদন: তৃণমূলের লক্ষ্য হলো অন্যান্য রাজ্যগুলিতেও তাদের প্রতিপত্তি বিস্তার করা। ‌ তৃণমূলের প্রধান লক্ষ্য এখন আগামী ২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচনে দিল্লির মসনদ দখল করা। তাই এবার ত্রিপুরাতেও বিধানসভা ভোটে তৃণমূল চাইছে বিজেপি অধ্যুষিত ত্রিপুরার ক্ষমতা দখল করতে। ত্রিপুরার বুকে তৃণমূলের সংগঠন রয়েছে।

আগামী ত্রিপুরার বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের রণকৌশল যথার্থ বলে প্রমাণিত হতে পারে এমনটাই আশা করছেন তৃণমূল নেতৃত্বরা। তাই ত্রিপুরার মাটিতে তৃণমূলের হয়ে কাজ আরম্ভ করতে চলেছে প্রশান্ত কিশোরের সংস্থা আইপ্যাক। জানা গিয়েছে প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে এই মর্মে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর্যালোচনা সম্পন্ন হয়েছে।এমনিতেই পশ্চিমবঙ্গে আগামী ২০২৬ সাল পর্যন্ত প্রশান্ত কিশোরের সংস্থা আইপ্যাকের সাথে চুক্তি রয়েছে তৃণমূলের।

আরও পড়ুন-পেট্রোলিয়ামের মূল্যবৃদ্ধিতে লিখিতভাবে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রীকে আক্রমণ করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

গত লোকসভা ভোটে বিজেপির জয়লাভের পরেই প্রশান্ত কিশোরের সাথে তৃণমূলের যথেষ্ট গভীর সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। একুশের ভোটে বিজেপির পরাজয় অন্যতম ভূমিকা পালন করেছে প্রশান্ত কিশোরের সংস্থা আইপ্যাক । যার ফলে প্রশান্ত কিশোরের উপরে যথেষ্টই নির্ভরশীল হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এই আবহে জানা গিয়েছে অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর একটি খবর। ত্রিপুরায় টিম পিকের দলবলকে আটক করেছে ত্রিপুরা পুলিশ।

আরও পড়ুন-পেগাসাস কান্ডে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে তদন্ত কমিশন গঠন করলো রাজ্য সরকার।

আগরতলার উডল্যান্ড পার্ক হোটেলে আইপ্যাকের মোট ২৩ জন কর্মীকে ত্রিপুরা পুলিশ বেআইনিভাবে আটক করে রেখেছে বলে অভিযোগ করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব।জানা গিয়েছে আইপ্যাকের ওই দলটি ত্রিপুরাতে সমীক্ষার কাজে গিয়েছিলো। গত সপ্তাহ থেকেই ওই হোটেলে থাকছিলো টিম পিকের দলটি। হঠাৎ করেই গতকাল‌ রবিবার বিপ্লব দেবের পুলিশ ওই হোটেলে হানা দিয়ে আইপ্যাকের সমস্ত কর্মীদের হোটেলে আটক করে রাখে।

আরও পড়ুন-“বিজেপিকে প্রতিহত করতে তৃণমূলের সাথে জোটে আপত্তি নেই বামেদের”- বললেন বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়

এই বিষয়ে কালীঘাটের তৃণমূলের দপ্তরে অভিযোগ জানিয়েছেন ত্রিপুরার রাজ্য তৃণমূল সভাপতি আশিস লাল সিং। তিনি বলেছেন,”ত্রিপুরার মাটিতে হেরে যাওয়ার ভয়ে রীতিমতো ক্ষমতার অপব্যবহার করে চলেছে বিপ্লব দেবের সরকার। পুলিশকে ব্যবহার করে বিরোধীদের জোরপূর্বক দমিয়ে রাখতে চাইছে বিজেপি।”

Related Articles

Back to top button