নিউজপলিটিক্স

“ত্রিপুরার পুলিশ মেরুদণ্ডহীন।”- দেবাংশু দের গ্রেপ্তারে ক্ষোভে সোচ্চার হলেন কুণাল ঘোষ

নিজস্ব প্রতিবেদন: তৃণমূল নেতাদের উপর হামলার ঘটনায় রীতিমতো উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে ত্রিপুরা থানা। জয়া দত্ত, সুদীপ রাহা, দেবাংশু ভট্টাচার্য দের উপরে বিজেপি কর্মীরা পাথর ছুঁড়ে, ইঁট ছুঁড়ে তাঁদের গাড়ির কাচ ভেঙে দিয়েছে বলে অভিযোগে সরব হয়েছিলেন দেবাংশুরা। গত শনিবার রাত থেকেই ত্রিপুরার খোয়াই থানাতে অবস্থান-বিক্ষোভ শুরু করেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা সুদীপ রাহা, জয়া দত্ত এবং দেবাংশু রা। এরপরেই গতকাল ভোরে খোয়াই থানার পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।

ত্রিপুরার মাটিতে গতকাল তৃণমূল যুব নেতাদের গ্রেপ্তারের খবর পেয়েই পৌঁছে গিয়েছিলেন সর্বভারতীয় সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে গত শনিবার রাতে খোয়াই থানা এলাকার ধলাবিল চৌহমুনী এলাকা থেকে দেবাংশু সহ মোট ১৪ জন তৃণমূল নেতা নেত্রীদের গ্রেফতার করেছিলো ত্রিপুরা পুলিশ। তৃণমূল নেতাদের গ্রেপ্তার করে মহামারী আইন এর তিনটি ধারায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়। এরপর তাদেরকে খোয়াই থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

আরও পড়ুন-“দেড় বছরে বিপ্লব দেবের সরকার উপড়ে ফেলবো”- মন্তব্য অভিষেকের

তারপর তৃণমূল নেতাদের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে তোলা হয়। এরপরেই খোয়াই থানায় পৌঁছে গিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে পুলিশ আধিকারিক দের সাথে রীতিমতো বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েছিলেন তিনি।এদিকে খোয়াই থানায় উপস্থিত হয়েছিলেন তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষ, ব্রাত্য বসু সহ আরো বেশ কয়েকজন তৃণমূল নেতা নেত্রীরা।

খোয়াই থানার জানালা দিয়ে সাংবাদিকদের কুণাল ঘোষ বলেছেন,”বিজেপির মারে এক পুলিশকর্মীর চোখটাই নষ্ট হ‌ওয়ার উপক্রম হয়েছে। কিন্তু তাদের পুলিশ গ্রেফতার করেনি। কিন্তু এই মেরুদন্ডহীন পুলিশ যাদের মাথা ফেটেছে তাদেরকে এখানে এনে বসিয়ে রেখেছে। একদম‌ই নির্লজ্জ, বেহায়া।

আরও পড়ুন-“বাংলায় কুমিরের কান্না আর ত্রিপুরায় বর্বরতা”- ত্রিপুরা কান্ডে বিজেপিকে বিঁধলেন ফিরহাদ হাকিম

আমরা বলেছিলাম যে এদের চিকিৎসা করানো হোক, খেতে দেওয়া হোক, কিন্তু আমাদের আবেদনে কান দেওয়া হয়নি। তৃণমূল যুব নেতাদের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন কেস দেওয়া হয়েছে। দল আপাতত আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। অভিষেক বন্দোপাধ্যায় নিজে এখানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

বিজেপি যদি ভেবে থাকে এটা তাদের রাজ্য তাহলে সেটা তারা ভুল করছে। ত্রিপুরা থেকে বিজেপিকে এবার সরিয়ে দেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে সমস্ত কিছু খোঁজ খবর রাখছেন।”

Related Articles

Back to top button