পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে ভোটারদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্য এলাকায়।

পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে ভোটারদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্য এলাকায়।

নিজস্ব প্রতিবেদন: একুশের ভোটে ধুন্ধুমার পরিস্থিতির মুখ দেখেছে রাজ্য। প্রথম দফার ভোট শান্তিপূর্ণভাবে মিটলেও দ্বিতীয় দফার ভোট থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে যথেষ্ট হিংসা-হানাহানির ঘটনা ঘটেছে। বিভিন্ন জায়গায় রক্তপাত এবং প্রাণহানি ঘটেছে। মানুষজন গণতন্ত্রের এই উৎসবে উৎফুল্ল ভাবে অংশগ্রহণ করার থেকে শঙ্কিত হয়ে ভোট দিতে যাচ্ছেন।

অনেক জায়গাতেই ভোটারদের মারধর এবং ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ উঠেছে রাজনৈতিক দলের কর্মীদের বিরুদ্ধে। আজ রাজ্যজুড়ে ষষ্ঠ দফার ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া চলছে। ‌ এই ভোট কে ঘিরে এখনো পর্যন্ত বড়োসড়ো কোনো অশান্তির খবর না পাওয়া গেলেও, পঞ্চম দফার ভোটে বেশ কিছু বুথে গন্ডগোলের খণ্ডচিত্র ধরা পড়েছে। ‌

যেমন কল্যাণীতে ভোটাররা রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন যে তাদের নাকি তৃণমূলের লোকজন ভোট দিতে দেয়নি। এছাড়া এক বিজেপি বুথ সভাপতির বাড়িতে বোমা ছোঁড়া হয়েছে।আজ ষষ্ঠ দফার ভোটে ভোটারদের ভোটদানে বাধা দেওয়ার অভিযোগে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পূর্ব বর্ধমানের গলসির মনোহর সুজাপুর গ্রাম । ওই বুথে ভোটাররা অভিযোগ করেছেন যে তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা তাদেরকে ভোট দিতে বাধা দিয়েছে, ভোট দিতে গেলেই হুমকি দিচ্ছে তারা। ‌

আরও পড়ুন-“কেউ যদি প্রমাণ করতে পারিজি বিজেপিতে যোগদানের জন্য টাকা নিয়েছি, তাহলে আমার কান কেটে ফেলে দেবো”- বললেন বিজেপি প্রার্থী তনুশ্রী।

এরপরেই প্রবল বিক্ষোভে ফেটে পড়ে ভোটাররা। রাস্তায় সমবেত হয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে তারা। ২১৩ এবং ২১৪ নম্বর বুথে এই ঘটনা ঘটেছে। প্রায় ১২০০ জন ভোটার আতঙ্কে ভোট দিতে যেতে পারছেন না।এক ভোটার জানিয়েছেন তৃণমূলের গুন্ডা তাদের মারধর করছে এবং রীতিমত শাসাচ্ছেন। যার দরুন তারা ভোট দিতে যেতে ভয় পাচ্ছেন।

তারা বলেছেন যে এই অল্প সংখ্যক পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী তাদের নিয়ে যেতে এলে তারা ভোট দিতে যাবেন না, তারা দাবি করেছেন আরও বেশিসংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী আনা হোক। এবং তারা দাবি তুলেছেন যে তাদের বুথ আলাদা করে দেওয়া হোক। কেন্দ্রীয় বাহিনী ওই এলাকায় পৌঁছেছে এবং তারা সুরক্ষা দিয়ে ভোটারদের ওই ভোট কেন্দ্রের দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে।