নিউজপলিটিক্সরাজ্য

“তৃণমূল একটা ভাঁওতাবাজি দল।”- তৃণমূলের কাছে ক্ষমা চেয়ে বোলপুরে মাইকে প্রচার করলো বিজেপি কর্মীরা।

নিজস্ব প্রতিবেদন: একুশের ভোটের পর থেকে উত্তপ্ত ছিল রাজ্য রাজনীতি। এবার আগুনে ঘি পড়ল মুকুল রায়ের আবার তৃণমূলে প্রত্যাবর্তনে। এমনিতেই কয়েকদিন ধরে বেসুরো হয়ে উঠেছিলেন মুকুল রায়, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। অনেকদিন ধরেই বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের সাথে ঠান্ডা লড়াই জারি ছিল মুকুল রায়ের ।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মুকুল রায়ের অসুস্থ স্ত্রীকে হাসপাতালে দেখতে যাওয়ার পরেই জল্পনা আরো দৃঢ় হয় । তারপরেই মুকুল রায় এবং তাঁর পুত্র শুভ্রাংশু রায়ের তৃণমূলের প্রত্যাবর্তনে প্রমাণ হয়ে যায় যে বিগত কয়েক মাস ধরেই তৃণমূলে ফেরার পরিকল্পনা নিয়ে রেখেছিলেন মুকুল রায়। তৃণমূলের জয়লাভের পর থেকেই দলবদলু নেতা নেত্রীদের দলত্যাগের ধূম পড়ে গিয়েছে বিজেপিতে। তৃণমূলে ফিরতে চেয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে চিঠি দিয়েছেন সোনালী গুহ, সরলা মুর্মু, দীপেন্দু বিশ্বাস।

আরও পড়ুন-“বিজেপি থেকে আরো লোক তৃণমূলে আসবে”- বললেন মুখ্যমন্ত্রী।

পুরানো দলে ফিরেই আবার স্বমহিমায় ফিরে এসেছেন মুকুল রায়। তিনি কেন বিজেপি ছেড়েছেন, সেই বিষয়ে তিনি পরে লিখিতভাবে জানাবেন বলে জানিয়েছেন মুকুল বাবু।একুশের ভোটের আগে যে ভাঙন দেখা দিয়েছিলো তৃণমূলে , পাল্টা সেই ভাঙন এবার বিজেপির ঘরে দেখা দিয়েছে। এবার বোলপুরে ভোটের সময়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রচার করায় তৃণমূলের কাছে ক্ষমা চেয়ে মাইকে করে প্রচার করলো বিজেপি কর্মীরা।

আরও পড়ুন-“মুকুল রায় কি বাচ্চা ছেলে যে ওকে বিজেপিতে ভয় দেখানো হবে?”- মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের জবাব দিলেন জয়প্রকাশ।

টোটোতে করে মাইকে প্রচার করতে করতে তারা সমগ্র এলাকায় ঘুরেছেন। তারা বলছেন,”আমরা এখন বাংলার উন্নয়নের কান্ডারি তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে শরনাপন্ন। তৃণমূল কংগ্রেস জিন্দাবাদ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদ।

বিজেপি একটা ভাঁওতাবাজি দল। আমরা ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি কর্মীরা তৃণমূলের ক্ষমা চাইছি। বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনো বিকল্প নেই।” এই ঘটনায় যথেষ্ট বিব্রত রাজ্য বিজেপি।

Related Articles

Back to top button