নিউজপলিটিক্স

খড়দহ তে শুটআউটে নিহত তৃণমূল কর্মী। তুঙ্গে উঠলো টিএমসি বিজেপির দ্বৈরথ।

নিজস্ব প্রতিবেদন: খড়দহ তে শুটআউটে নিহত হলেন তৃণমূল বিধায়ক কাজল সিনহার ঘনিষ্ঠ সক্রিয় তৃণমূল কর্মী রণজয় শ্রীবাস্তব। এখনো পর্যন্ত এই গুলি চালানোর ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৫ জন দুষ্কৃতী কে । এই ঘটনায় সরাসরি বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙ্গুল তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

জানা গিয়েছে গতকাল রাত সাড়ে এগারোটার সময় এই শুট আউটের চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। ওই সময় ব্যারাকপুর থেকে নিজের গাড়িতে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন রণজয় শ্রীবাস্তব। তার সাথে ছিলেন তার বন্ধু সোনু সিং। জানা গিয়েছে হঠাৎ করে খড়দহ থানার অন্তর্গত বাগদী পাড়া এলাকায় বেশ কয়েক জন দুষ্কৃতী তাদের গাড়ি ঘিরে ধরে বোমাবাজি করে। সাথে সাথে পালাতে সক্ষম হন সোনু সিং। এরপরে গাড়ি লক্ষ্য করে পরপর গুলি চালায় ওই দুষ্কৃতীরা। তখনই গুলিবিদ্ধ হন রণজয় শ্রীবাস্তব। বোমা এবং গুলির আওয়াজে বাসিন্দারা বেরিয়ে পড়লে এলাকা ছেড়ে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা।

আরও পড়ুন –নর্থ সেন্ট্রাল রেল‌ওয়েতে জারি হল ১৬৬৪ টি শূন্যপদের বিজ্ঞপ্তি।

এর পরে গুরুতর আহত অবস্থায় ওই তৃণমূল কর্মী রনজয় কে বি এন বোস মহাষকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, এবং অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে কলকাতার একটি নার্সিংহোমের ভর্তি করার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়া হয়। কিন্তু কলকাতা রওনা দেওয়ার আগেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন গুলিবিদ্ধ রণজয়।

এরপরেই রণজয়ের পরিবার খড়দহ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এখনো পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতরা হল- বিনোদ মল্লিক, জুয়েল মল্লিক, মহম্মদ জাভেদ, মহম্মদ সাহিল হুসেন, জাহিদ হুসেন, মোসেল খান। তারা সকলেই তৃণমূল কর্মী বলে পরিচিত।

আরও পড়ুন –“মানুষ আমাকে অভিনেত্রী হিসেবেই দেখতে চাইছেন, তাই রাজনীতি নিয়ে আর কিছু ভাবছি না”- মন্তব্য অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের।

কিন্তু স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব তাদের বিজেপি কর্মী বলে অভিহিত করেছে। ‌ এই ঘটনায় তুঙ্গে উঠেছে তৃণমূল বিজেপির দ্বৈরথ । ধৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে বেআইনি অস্ত্র ব্যবহার করা, বিস্ফোরণ ঘটানো, খুন প্রভৃতির মামলা দায়ের করেছে খড়দহ থানার পুলিশ।

Related Articles

Back to top button