নিউজ

শাড়ির দোকানের সাধারণ কর্মচারী থেকে আজকে 44 কোটি টাকার কোম্পানির মালিক! সম্পূর্ণ নিজের পরিশ্রমেই অর্জন করেছেন তিনি।

শাড়ির দোকানের সাধারণ কর্মচারী থেকে আজকে 44 কোটি টাকার কোম্পানির মালিক! সম্পূর্ণ নিজের পরিশ্রমেই অর্জন করেছেন তিনি।
শাড়ির দোকানের সাধারণ কর্মচারী থেকে আজকে 44 কোটি টাকার কোম্পানির মালিক! সম্পূর্ণ নিজের পরিশ্রমেই অর্জন করেছেন তিনি।
শাড়ির দোকানের সাধারণ কর্মচারী থেকে আজকে 44 কোটি টাকার কোম্পানির মালিক! সম্পূর্ণ নিজের পরিশ্রমেই অর্জন করেছেন তিনি।
শাড়ির দোকানের সাধারণ কর্মচারী থেকে আজকে 44 কোটি টাকার কোম্পানির মালিক! সম্পূর্ণ নিজের পরিশ্রমেই অর্জন করেছেন তিনি।
শাড়ির দোকানের সাধারণ কর্মচারী থেকে আজকে 44 কোটি টাকার কোম্পানির মালিক! সম্পূর্ণ নিজের পরিশ্রমেই অর্জন করেছেন তিনি।
শাড়ির দোকানের সাধারণ কর্মচারী থেকে আজকে 44 কোটি টাকার কোম্পানির মালিক! সম্পূর্ণ নিজের পরিশ্রমেই অর্জন করেছেন তিনি।
শাড়ির দোকানের সাধারণ কর্মচারী থেকে আজকে 44 কোটি টাকার কোম্পানির মালিক! সম্পূর্ণ নিজের পরিশ্রমেই অর্জন করেছেন তিনি।
শাড়ির দোকানের সাধারণ কর্মচারী থেকে আজকে 44 কোটি টাকার কোম্পানির মালিক! সম্পূর্ণ নিজের পরিশ্রমেই অর্জন করেছেন তিনি।

নিজস্ব প্রতিবেদন:-বর্তমান সময়ে অনেকেই চাকরি ছেড়ে ব্যবসার দিকে ঝুঁকছেন।কারণ ব্যবসায়ী মানুষ সব সময় স্বাধীনভাবে নিজের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে এবং কাজ করতে পারে। কিন্তু একজন সফল ব্যবসায়ী হতে গেলে প্রচুর পরিমাণে পরিশ্রম এবং নিষ্ঠার প্রয়োজন।তাই আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদনে আমরা এমন একজন সফল ব্যক্তিকে নিয়ে আলোচনা করবো যা আপনার ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করতে পারে।

শাড়ির দোকানের সাধারণ কর্মচারী থেকে আজকে 44 কোটি টাকার কোম্পানির মালিক! সম্পূর্ণ নিজের পরিশ্রমেই অর্জন করেছেন তিনি।
শাড়ির দোকানের সাধারণ কর্মচারী থেকে আজকে 44 কোটি টাকার কোম্পানির মালিক! সম্পূর্ণ নিজের পরিশ্রমেই অর্জন করেছেন তিনি।
শাড়ির দোকানের সাধারণ কর্মচারী থেকে আজকে 44 কোটি টাকার কোম্পানির মালিক! সম্পূর্ণ নিজের পরিশ্রমেই অর্জন করেছেন তিনি।
শাড়ির দোকানের সাধারণ কর্মচারী থেকে আজকে 44 কোটি টাকার কোম্পানির মালিক! সম্পূর্ণ নিজের পরিশ্রমেই অর্জন করেছেন তিনি।

প্রথমেই জানিয়ে রাখি এই ব্যক্তি মাত্র চৌদ্দশ টাকায় কাজ করে একটি কোম্পানি শুরু করেছিলেন। তার নাম অনুজ মুন্দ্রা।2001 সাল থেকে 2006 সাল পর্যন্ত জয়পুরের একটি শাড়ির শোরুমে সামান্য কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন তিনি। মাসিক ভিত্তিতে তাকে মাত্র চৌদ্দশ টাকা বেতন দেওয়া হতো।

শাড়ির দোকানের সাধারণ কর্মচারী থেকে আজকে 44 কোটি টাকার কোম্পানির মালিক! সম্পূর্ণ নিজের পরিশ্রমেই অর্জন করেছেন তিনি।
শাড়ির দোকানের সাধারণ কর্মচারী থেকে আজকে 44 কোটি টাকার কোম্পানির মালিক! সম্পূর্ণ নিজের পরিশ্রমেই অর্জন করেছেন তিনি।
শাড়ির দোকানের সাধারণ কর্মচারী থেকে আজকে 44 কোটি টাকার কোম্পানির মালিক! সম্পূর্ণ নিজের পরিশ্রমেই অর্জন করেছেন তিনি।
শাড়ির দোকানের সাধারণ কর্মচারী থেকে আজকে 44 কোটি টাকার কোম্পানির মালিক! সম্পূর্ণ নিজের পরিশ্রমেই অর্জন করেছেন তিনি।

পরবর্তীতে তিনি ব্যবসা করার সিদ্ধান্ত নিয়ে একটি সুট পিস এর ব্যবসা শুরু করেন। ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে স্যুট সেট কিনে দোকানদার ও বিক্রেতাদের কাছে তিনি বিক্রি করে দিতেন। এছাড়াও বেশ কিছুদিন জয়পুরে তার ব্লগ এবং স্ক্রীন প্রিন্টিং ইউনিট চালিয়েছিলেন তিনি।

শাড়ির দোকানের সাধারণ কর্মচারী থেকে আজকে 44 কোটি টাকার কোম্পানির মালিক! সম্পূর্ণ নিজের পরিশ্রমেই অর্জন করেছেন তিনি।
শাড়ির দোকানের সাধারণ কর্মচারী থেকে আজকে 44 কোটি টাকার কোম্পানির মালিক! সম্পূর্ণ নিজের পরিশ্রমেই অর্জন করেছেন তিনি।
শাড়ির দোকানের সাধারণ কর্মচারী থেকে আজকে 44 কোটি টাকার কোম্পানির মালিক! সম্পূর্ণ নিজের পরিশ্রমেই অর্জন করেছেন তিনি।
শাড়ির দোকানের সাধারণ কর্মচারী থেকে আজকে 44 কোটি টাকার কোম্পানির মালিক! সম্পূর্ণ নিজের পরিশ্রমেই অর্জন করেছেন তিনি।

এরপর তিনি তার এক বন্ধুর থেকে প্রায় 5 লক্ষ টাকা ঋণ নেন। অপরদিকে ব্যাংক থেকেও কিছুটা সাহায্য পান তিনি। এই সাহায্য লাভের পর তিনি প্রায় দশটি সেলাই মেশিন কেনেন এবং তাতে কুর্তি এবং স্যুট সেলাই করা শুরু করেন।নিজের ইউনিটেই সেলাই এবং অন্যান্য যাবতীয় কাজ করতেন তিনি।

শাড়ির দোকানের সাধারণ কর্মচারী থেকে আজকে 44 কোটি টাকার কোম্পানির মালিক! সম্পূর্ণ নিজের পরিশ্রমেই অর্জন করেছেন তিনি।
শাড়ির দোকানের সাধারণ কর্মচারী থেকে আজকে 44 কোটি টাকার কোম্পানির মালিক! সম্পূর্ণ নিজের পরিশ্রমেই অর্জন করেছেন তিনি।
শাড়ির দোকানের সাধারণ কর্মচারী থেকে আজকে 44 কোটি টাকার কোম্পানির মালিক! সম্পূর্ণ নিজের পরিশ্রমেই অর্জন করেছেন তিনি।
শাড়ির দোকানের সাধারণ কর্মচারী থেকে আজকে 44 কোটি টাকার কোম্পানির মালিক! সম্পূর্ণ নিজের পরিশ্রমেই অর্জন করেছেন তিনি।

ধীরে ধীরে তার পণ্যগুলোকে স্ন্যাপডিল এবং অন্যান্য শপিং সাইটে তালিকাভুক্ত করার পরে এগুলিকে বিক্রি করা শুরু করেন অনুজ। এরপর ধীরে ধীরে নিজের ব্যবসায় সাফল্য পেতে শুরু করেন তিনি। বর্তমানে একাধিক বড় ওয়েবসাইটে তার পণ্য চাহিদা সহ বিক্রি হয়।

শাড়ির দোকানের সাধারণ কর্মচারী থেকে আজকে 44 কোটি টাকার কোম্পানির মালিক! সম্পূর্ণ নিজের পরিশ্রমেই অর্জন করেছেন তিনি।
শাড়ির দোকানের সাধারণ কর্মচারী থেকে আজকে 44 কোটি টাকার কোম্পানির মালিক! সম্পূর্ণ নিজের পরিশ্রমেই অর্জন করেছেন তিনি।
শাড়ির দোকানের সাধারণ কর্মচারী থেকে আজকে 44 কোটি টাকার কোম্পানির মালিক! সম্পূর্ণ নিজের পরিশ্রমেই অর্জন করেছেন তিনি।
শাড়ির দোকানের সাধারণ কর্মচারী থেকে আজকে 44 কোটি টাকার কোম্পানির মালিক! সম্পূর্ণ নিজের পরিশ্রমেই অর্জন করেছেন তিনি।
শাড়ির দোকানের সাধারণ কর্মচারী থেকে আজকে 44 কোটি টাকার কোম্পানির মালিক! সম্পূর্ণ নিজের পরিশ্রমেই অর্জন করেছেন তিনি।
শাড়ির দোকানের সাধারণ কর্মচারী থেকে আজকে 44 কোটি টাকার কোম্পানির মালিক! সম্পূর্ণ নিজের পরিশ্রমেই অর্জন করেছেন তিনি।
শাড়ির দোকানের সাধারণ কর্মচারী থেকে আজকে 44 কোটি টাকার কোম্পানির মালিক! সম্পূর্ণ নিজের পরিশ্রমেই অর্জন করেছেন তিনি।
শাড়ির দোকানের সাধারণ কর্মচারী থেকে আজকে 44 কোটি টাকার কোম্পানির মালিক! সম্পূর্ণ নিজের পরিশ্রমেই অর্জন করেছেন তিনি।
শাড়ির দোকানের সাধারণ কর্মচারী থেকে আজকে 44 কোটি টাকার কোম্পানির মালিক! সম্পূর্ণ নিজের পরিশ্রমেই অর্জন করেছেন তিনি।
শাড়ির দোকানের সাধারণ কর্মচারী থেকে আজকে 44 কোটি টাকার কোম্পানির মালিক! সম্পূর্ণ নিজের পরিশ্রমেই অর্জন করেছেন তিনি।
শাড়ির দোকানের সাধারণ কর্মচারী থেকে আজকে 44 কোটি টাকার কোম্পানির মালিক! সম্পূর্ণ নিজের পরিশ্রমেই অর্জন করেছেন তিনি।
শাড়ির দোকানের সাধারণ কর্মচারী থেকে আজকে 44 কোটি টাকার কোম্পানির মালিক! সম্পূর্ণ নিজের পরিশ্রমেই অর্জন করেছেন তিনি।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button