“আজ লোক হাসানো আমি একা ঘরে বসে হাউহাউ করে কাঁদছি।”- লিখলেন কাঞ্চন মল্লিক।

“আজ লোক হাসানো আমি একা ঘরে বসে হাউহাউ করে কাঁদছি।”- লিখলেন কাঞ্চন মল্লিক।

নিজস্ব প্রতিবেদন: রাজ্য রাজনীতি সরগরম কাঞ্চন মল্লিক এবং তাঁর স্ত্রী পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়ের টানাপোড়েনকে কেন্দ্র করে। সদ্য নির্বাচিত উত্তরপাড়া তৃণমূল বিধায়ক কাঞ্চন মল্লিক এর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তার স্ত্রী পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায় ।গতকাল চেতলায় বান্ধবীকে নিয়ে পিঙ্কি বন্দোপাধ্যায় কে হেনস্থা করেছেন কাঞ্চন মল্লিক এমনটাই অভিযোগ করেছেন পিঙ্কি। নিউ আলিপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি।

এদিকে স্ত্রী পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ দায়ের করেছেন তৃণমূল বিধায়ক তথা অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক।রাজ্য রাজনীতিতে শোভন-বৈশাখীর মত কাঞ্চন-পিঙ্কির বৈবাহিক জীবনের ওঠাপড়ার বিষয়টিও মশলামুড়ির মতো কচকচিয়ে যাচ্ছেন নেটিজেনরা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যঙ্গ বিদ্রুপের ছড়াছড়ি। আর এই আবহে বেশ কিছু কথা লিখেছেন অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক।

আরও পড়ুন-“প্রকৃত ভালোবাসা বিরল।”- বেবি বাম্প নিয়ে প্রকাশ্যে ছবি দিতেই মন্তব্য যশের।

যাকে সর্বদা হাসি ঠাট্টা ছাড়া অন্য ভূমিকায় দেখা যায়না, সেই কাঞ্চন মল্লিক লিখলেন অনেক কথা। তিনি লিখেছেন,”পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে যে পরকীয়ায় মত্ত হয়ে রয়েছেন সেটা তিনি নিজেই সকলকে জানিয়ে দিলেন। আমার সঙ্গে শ্রীময়ী চট্টরাজ এর নাম জুড়ে দিয়েছেন পিঙ্কি। এই শ্রীময়ী চট্টরাজ এর সাথে কাজের বাইরেও অন্য কোন কথা আমার হয়না।

এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে যে আজ লোক হাসানোর কাঞ্চন মল্লিক একা ঘরে বসে হাউমাউ করে কাঁদছে। ভগবানের দয়ায় শ্রীময়ী আর আমার আত্মসহায়ককে গত শনিবার সাথে নিয়েছিলাম বলেই আমার নামে ৪৯৮ ধারার মামলা করতে পারেনি পিঙ্কি। এমন আজেবাজে রটিয়েছে আমার নামে যে রাস্তায় বেরোতে লজ্জা করছে, কারো দিকে চোখ তুলে তাকাতে লজ্জা করছে। আমাকে ভরসা করে উত্তরপাড়া কেন্দ্রের বিধায়ক পদে আসীন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

আরও পড়ুন-“সাদামাটা মনের কাঞ্চনকে কেউ ভুল বুঝিয়ে ব্যবহার করতে পারে।”- উদ্বেগ প্রকাশ করলেন রুদ্রনীল ঘোষ।

এখন আমি মুখ্যমন্ত্রী আর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কে কিভাবে মুখ দেখাবো? দলনেত্রীর কাছে এইভাবে অপদস্থ করা একমাত্র পিঙ্কির ক্ষেত্রেই মানায়। আমি নিজে বিধায়ক পদে আসীন হওয়ার পর মিষ্টি দিয়ে এসেছিলাম শ্বশুরবাড়িতে। আমার জয়ে পিঙ্কিকে খুশী হতে দেখিনি। ও দাবী করেছিল প্রতিমাসে ওকে সাড়ে ৩ লক্ষ টাকা করে দিতে হবে।

আবার আমার ছেলের আয়ার ভাইকে চাকরি করে দেওয়ার দাবী জানিয়েছিলো। আমার পক্ষে এই সমস্ত দাবি মেটানো সম্ভবপর নয়। আমি মদ্যপ নয়। বরং আমার শ্বশুরবাড়িতে সকলেই মদ ছাড়া কোনো অনুষ্ঠানে আনন্দ করতে পারেনা।

আরও পড়ুন-“ফাদার্স ডে তে ছেলেকে উপহার দিয়েছেন ৩ কোটির গাড়ি?” – কি বললেন সোনু সুদ?

গত বছর লকডাউনে আমি নিজে শ্বশুরবাড়ি তে নগদ ২ লক্ষ টাকা আর প্রচুর রেশন সামগ্রী পাঠিয়ে দিয়েছিলাম। আমার নামে শেষমেশ এই মিথ্যা অপবাদ দিলো পিঙ্কি। আমি নিজে ছেলের সমস্ত দ্বায়িত্ব নিতে রাজী। আমাকে এবার মুক্তি দেওয়া হোক। আমি একজন সাধারণ অভিনেতা। আমি মাথা উঁচু করে বাঁচতে চাই।”