নিউজপলিটিক্সরাজ্য

“টিএমসি সেটিং মাস্টার”- কৈলাস বিজয়বর্গীয় নামে পোস্টার লাগালো দলের‌ই কর্মী সমর্থকরা।

নিজস্ব প্রতিবেদন: একুশের ভোটের আগে বিজেপিতে দলে দলে নাম লিখিয়েছিলেন তৃণমূল থেকে আসা নেতা নেত্রীরা। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে টিকিট দেওয়া নিয়ে গেরুয়া শিবিরে যথেষ্ট বিক্ষোভের সূত্রপাত হয়েছিল। বিক্ষোভের আগুনে ঘি পড়েছিল যখন শুভেন্দু অধিকারী কে বিরোধী দলনেতা নির্বাচন করা হয়। বিজেপির মধ্যে আদি বিজেপি এবং নব্য বিজেপির একটি বিভাগ লক্ষ্য করা গিয়েছে।

আদি বিজেপি বনাম নব্য বিজেপির একটা ঠান্ডা লড়াই জারি রয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। আদি বিজেপির বহু নেতা এবং সর্মথকরা শুভেন্দুর নেতৃত্বে কাজ করতে রাজি হচ্ছেন না । এই আবহে আবার বিজেপির বিরুদ্ধে সুর চড়াচ্ছে বিজেপির বেশ কয়েকজন নেতা নেত্রীরা। দলবদলুরা আবার তৃণমূল মুখো হচ্ছেন।

আরও পড়ুন-একুশের ভোটে কেন বিজেপি হেরেছিলো, ব্যাখ্যা দিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়।

ইতিমধ্যেই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে চলে গিয়েছেন বেশ কয়েকজন নেতা নেত্রীরা এবং সেইসাথে তৃণমূলে চলে গিয়েছে বিজেপির হাজার হাজার কর্মী সমর্থক। এই পরিস্থিতিতে পদ্মশিবিরে ঘনিয়ে এসেছে দুর্যোগের কালো মেঘ। মুকুল রায়ের আবার তৃণমূলের প্রত্যাবর্তনের পর এই বিজেপির আশঙ্কার আগুনে ঘি পড়েছে। যার দরুন এবার ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট বৈঠক ডেকেছিলো রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব।

আরও পড়ুন-ভোট-পরবর্তী হিংসার ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ হাইকোর্টের। বিপাকে রাজ্য

এই বৈঠকেই এবার আদি বিজেপি বনাম নব্য বিজেপির দ্বন্দ্বের বিষয়টি স্পষ্টভাবে বুঝতে পারলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা। তবে বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয় এই বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।কৈলাশ বিজয়বর্গীয়র বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছে বিজেপির অন্দরে। কলকাতার বিজেপির কার্যালয়ের বাগরে কৈলাস বিজয়বর্গীয়র নামে পোস্টার দিলো বিজেপির‌ই কর্মী সমর্থকরা।

আরও পড়ুন-মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের দাবিতে আজ বিধানসভার স্পিকারকে চিঠি দিলেন শুভেন্দু অধিকারী।

কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় এই পোস্টার দেখা গিয়েছে। এই পোস্টারে কৈলাস বিজয়বর্গীয়র উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে , ‘টিএমসি সেটিং মাস্টার।’ অর্থাৎ এই পোস্টার থেকে এটাই স্পষ্ট হচ্ছে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়র প্রতি যথেষ্ট রুষ্ট হয়ে রয়েছেন বিজেপির সিংহভাগ কর্মী সমর্থকরা।কয়েকদিন আগে বিজেপি নেতা তথাগত রায় কৈলাস বিজয়বর্গীয়র বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে টুইট করেছিলেন, “মমতা পিসি , এই ভোদা বিড়ালটাকেও তৃণমূলে নিয়ে নিন।

ও সারাদিন মুকুল রায়ের সাথে ফিসফিস করতো।”

Related Articles

Back to top button