নিউজপলিটিক্সরাজ্য

“যারা পিছন থেকে ছুরি মেরেছে তাদের ফেরানো হবে না”- বললেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু।

নিজস্ব প্রতিবেদন: একুশের ভোটের আগে রাজ্যে পালাবদলের একটা হাওয়া উঠেছিল । রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলেছিলেন যে এবারে বাংলায় পরিবর্তনের হাওয়া বইতে শুরু করে দিয়েছে। যার দরুন অনেকেই রাজনৈতিক কেরিয়ার বজায় রাখার জন্য জয় নিশ্চিত জেনে তৃণমূল থেকে বেরিয়ে এসে যোগদান করেছিলেন বিজেপিতে। বিজেপির নেতারাও তাদের জনসভা, রোড শো’তে কাতারে কাতারে মানুষের ভীড় দেখে আত্মবিশ্বাসে বলীয়ান হয়ে উঠেছিলো।

সেখানে তৃণমূল ২১৩ টি সীট পেয়ে আবার তাদের বিজয়রথ ছুটিয়েছে বাংলা জুড়ে। আর তৃণমূলের জয়লাভের পরেই দলবদলুদের মনেও দেখা দিয়েছে তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন করার তাগিদ। গত শুক্রবার তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি মুকুল রায়। তিনি ২০১৭ সালে বিজেপিতে নাম লিখিয়েছিলেন।

আরও পড়ুন-তৃণমূলের প্রত্যাবর্তন করেও এখনও ডবল নিরাপত্তা পাচ্ছেন মুকুল রায়।

এদিকে মুকুল রায়ের সাথেই তৃণমূলে প্রত্যাবর্তনের জন্য পা বাড়িয়ে রয়েছেন আরেকদল দলবদলু নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় । কিন্তু তাঁকে ফিরিয়ে নিতে ইচ্ছুক নয় তৃণমূল সমর্থকরা। এদিকে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু সকল দলবদলুদের তৃণমূলে স্বাগত জানিয়েছেন। কিন্তু যারা বেইমানি করেছে তাদের ফেরানো হবে না বলে জানিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন-তৃণমূলের প্রত্যাবর্তন করেই বিজেপির ১০ জন বিধায়ক এবং একজন সাংসদকে ফোন করলেন মুকুল রায়।

তিনি বলেছেন,”যারা নির্বাচনের অনেক আগেই গিয়েছে তাদের স্বাগত জানাচ্ছি। কিন্তু যারা নির্বাচনের সময় গদ্দারি করেছে, যারা পিছন থেকে ছুরি মেরেছে, তাদের দলে ফিরিয়ে নেওয়া হবে না। মুকুল দার আসার সাথে তাদের গুলিয়ে ফেললে হবে না।”কার্যত তৃণমূলের বহু সমর্থক দলবদলুদের ঘরে ফেরানো নিয়ে তীব্র বিক্ষোভ দেখাচ্ছে।

কিন্তু মুকুল রায়কে নিয়ে কার্যত তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা কোনো প্রতিবাদ জানাননি। উল্টে তাঁকে স্বাগত জানিয়েছেন সকলেই।

Related Articles

Back to top button