“সমাজের এত গভীরে যাদের শিকড় রয়েছে, তাঁরা পালাবেন কেন?”- আদালতে নারদ কান্ডে স‌ওয়াল‌ করলেন রাজ্যের আইনজীবী সিংভী।

“সমাজের এত গভীরে যাদের শিকড় রয়েছে, তাঁরা পালাবেন কেন?”- আদালতে নারদ কান্ডে স‌ওয়াল‌ করলেন রাজ্যের আইনজীবী সিংভী।

নিজস্ব প্রতিবেদন: নারদকান্ডে উথাল পাথাল রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি। গত ১৭ ই মে সিবিআই এর হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন ফিরহাদ হাকিম, মদন মিত্র, সুব্রত মুখোপাধ্যায় এবং শোভন চট্টোপাধ্যায়। কলকাতা হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চে তাঁরা চারজনেই অন্তর্বর্তী জামিন পেয়েছেন কিন্তু এখনও পর্যন্ত আদালতে শুনানি জারি রয়েছে।

সিবিআই এই নারদ মামলা অন্যত্র সরানোর আবেদন করেছিলো।আজ কলকাতা হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়েছে । রাজ্যের আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি বলেছেন, “অভিযুক্ত মন্ত্রীদের মধ্যে একজন ২০১১ সাল থেকে মন্ত্রীপদে রয়েছেন।

আরও পড়ুন-কাঁথি পৌরসভা থেকে ত্রিপল চুরি কান্ডে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জ‌ওয়ানদের তলব করলো রাজ্য পুলিশ।

বহু বছর ধরে বিধায়ক রয়েছেন। নারদ কান্ড ঘটার এতদিন কেটে গিয়েছে, এখন লোপাট করার মত কি তথ্যপ্রমাণ থাকতে পারে? তাদের সমাজের অনেক গভীরে শিকড় রয়েছে, তাঁদের পালানোর প্রশ্ন‌ই নেই।”- আজ আদালতে বলেছেন সিংভী।

আরও পড়ুন-আর্থিক দুর্নীতিতে জড়িয়ে গেল শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ রাখাল বেরার নাম। জেল হেফাজতের নির্দেশ শিয়ালদহ আদালতের।

বিচারপতি রাজেশ বিন্দল বলেছেন, “আইনমন্ত্রী গত ১৭ ই মে নিজে আদালতে গিয়েছিলেন কেন? উনি কি ওখানে রোজ যান ? উনি কি বিচার ব্যবস্থার উপর আস্থা রাখেন না ?”অভিষেক মনু সিংভি এদিকে বলেছেন যে, “সমস্ত ঘটনা ছেড়ে সিবিআই শুধুমাত্র মানুষের ভীড় নিয়ে অধিক চিন্তিত। গোটা ঘটনার বিশদ বিবরণ সিবিআই উপস্থাপিত করতে চাইছে না।“এছাড়াও অভিষেক মনু সিংভি বলেছেন, “কীভাবে বিচারক বাধাপ্রাপ্ত হয়েছেন, বিচারক কিভাবে পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে পড়লেন, মানুষের ভিড় এই ঘটনায় কীভাবে দায়ী হল এই বিষয়ে একটিও সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পেশ করতে পারেনি সিবিআই ।

আরও পড়ুন-চলতি মাসেই রাস্তায় নেমে ব্যাপক আন্দোলন করতে চলেছে বিজেপি। জেলা নেতৃত্বদের বলা হল প্রস্তুতি নিতে।

বৃহত্তর বেঞ্চে আজকের মতো নারদ মামলার শুনানি শেষ হয়ে গিয়েছে।