এবার নদীয়াকে পৃথক রাজ্য করার দাবি বিজেপির বিরুদ্ধে। বিজেপির অভিযোগ শাসকদলের বিরুদ্ধে।

এবার নদীয়াকে পৃথক রাজ্য করার দাবি বিজেপির বিরুদ্ধে। বিজেপির অভিযোগ শাসকদলের বিরুদ্ধে।

নিজস্ব প্রতিবেদন: কয়েকদিন ধরেই বঙ্গভঙ্গের অভিযোগে জেরবার বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব। কয়েকদিন আগেই আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সভাপতি জন বারলা পৃথক উত্তরবঙ্গের দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন। তিনি বলেছেন “উত্তরবঙ্গের মানুষকে চিরটা কাল তৃণমূল সরকার বঞ্চিত করে এসেছে। তাই উত্তরবঙ্গ কে আলাদা রাজ্য রূপে গড়ে তুললে উত্তরবঙ্গের মানুষ সুখ-সমৃদ্ধির দেখা পাবেন।”

এই মন্তব্যে যথেষ্ট চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে বাংলার রাজ্য রাজনীতিতে। ‌ বিজেপির নেতারা জন বারলার এই দাবী সমর্থন না করলেও তাঁরা সকলেই একমত যে তৃণমূল সরকার উত্তরবঙ্গের মানুষের সাথে কেবলমাত্র বঞ্চনাই করে এসেছে।জনের এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে মুখে কুলুপ এঁটে রয়েছে বিজেপিও। এই আবহে ঠিক এরকমই একটি মন্তব্য করে বিজেপির অস্বস্তির আগুনে ঘি ঢেলেছেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ।

আরও পড়ুন-বিনয় মিশ্র মামলায় পাঁচ দিন সময় চাইলো সিবিআই। পিছিয়ে গেল মামলার শুনানি

জন বারলার মতো তিনিও এবার রাঢ়বঙ্গকে ভেঙে আলাদা রাজ্যের প্রসঙ্গ উত্থাপন করেছেন। মাটিগাড়া নকশালবাড়ির বিজেপি বিধায়ক আনন্দময় বর্মন, এবং আরেক বিজেপি বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায় কার্যত জন বারলার সুরেই মন্তব্য করেছেন।এবার এই আবহে ঠিক এরকমই একটি ফেসবঙক পোস্ট ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠলো রাজ্য রাজনীতি। বিজেপির নামাঙ্কিত একটি ফেসবুক পোস্টে লেখা হয়েছে যে, “নদীয়াকে পৃথক রাজ্য হিসাবে গড়ে তুলতে হবে।

রাণাঘাট সহ পবিত্র শহরগুলোকে নিরামিষাশী শহর বলে ঘোষণা করা হবে। সমগ্র নদীয়া জুড়ে গোহত্যা নিষিদ্ধ করা হবে। নদীয়ার রাজধানী হবে নবদ্বীপধাম। নতুন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হবেন সর্বজনশ্রদ্ধেয় ডক্টর জগন্নাথ সরকার।”

আরও পড়ুন-“বিধায়ক থাকলে তবেই পিএসির চেয়ারম্যান হতে পারবেন”- মুকুলকে আক্রমণ শুভেন্দুর

এই ফেসবুক পোস্টের পর এই যথেষ্ট চাপানউতোর সৃষ্টি হয়েছে। বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করেছে এই ফেসবুক পোস্ট বিজেপির কেউ করেনি, এটা সম্পূর্ণ তৃণমূলের চক্রান্ত। এই পোস্টটি করা হয়েছে ‘বাংলায় গেরুয়া ঝড়’ নামক এক ফেসবুক পেজ থেকে। জগন্নাথ সরকার দাবি করেছেন যে, এই ঘটনাটি সম্পূর্ণ তৃণমূলের চক্রান্ত।

নদীয়ার এক তৃণমূল নেতা বলেছেন, “এটা পরিকল্পনামাফিক করেছে বিজেপির কর্মীরাই।”