নিউজটেক নিউজরাজ্য

এবারে কলকাতায় আড়ম্বরহীন মন্ডপ চাইছেন মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

নিজস্ব প্রতিবেদন: গতবছর করোনা আবহে তেমন আড়ম্বর হয়নি দূর্গাপূজায় । আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী কড়া বিধিনিষেধ মেনে কলকাতায় পালিত হয়েছিল দুর্গাপূজা। ‌ প্রতিবছর আপামর বাঙালি এই পূজাকে ঘিরে যথেষ্ট উন্মাদনায় মেতে ওঠে। কিন্তু গত বছর থেকেই এই আনন্দের রং অনেকটাই ফিকে হয়েছে।

এই বছরেও করোনার দ্বিতীয় ঢেউ প্রবল তান্ডব চালিয়ে যাচ্ছে। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত অর্ধেক মানুষকেও ভ্যাকসিন দেওয়া সম্ভব হয়নি। তাই এবারেও কলকাতার পূজা উদ্যোক্তাগুলির কাছে রাজ্যের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় অনুরোধ করেছেন মন্ডপ জাঁকজমকপূর্ণ না করার জন্য। এমনিতেই নাকতলা উদয়ন সংঘের পূজার সাথে সরাসরি যুক্ত থাকেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় ।

আরও পড়ুন-নেননি কোভিড ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ। অথচ মোবাইলে এসে গেলো দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার সার্টিফিকেট

কিন্তু তিনি জানিয়েছেন এবারে নাকতলা পুজোয় তিনি যুক্ত হচ্ছেন না।করোনার এই ভয়াবহ আবহে সম্পূর্ণ আড়ম্বরহীন পূজা চাইছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এমনিতেই এবছর ফোরাম ফর দুর্গোৎসব কমিটি করোনা আবহে কড়াভাবে কোভিড বিধি মেনে একটি ১৪ দফা নির্দেশিকা তৈরি করেছে। এই কমিটি জানিয়েছে যে এবারের পুজোয় ক্লাব এর সমস্ত কর্মকর্তা থেকে শুরু করে পুরোহিতদের এবং ক্লাবের সাথে যুক্ত সকলকে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন-রাজ্যের মাটিতে ১ লক্ষ বেকারদের প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরির ব্যবস্থা করতে চলেছে রাজ্যের শ্রম দপ্তর

সেইসাথে ক্লাবে স্যানিটাইজার এবং মাস্ক রেখে দিতে হবে । ক্লাব এর সমস্ত কর্মকর্তা এবং পুরোহিতরা মাস্ক পরে থাকবেন, সেইসাথে দর্শনার্থীদের মাস্ক পরে ঠাকুর দেখতে হবে।পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, “এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে ক্লাবগুলির মানবিক দিক দিয়ে উচিৎ পুজোর জন্য সংগ্রহ করা অর্থের ৫০% করোনার চিকিৎসার জন্য দান করে দেওয়া। আমার ব্যক্তিগত মতামত হল এবারে আড়ম্বরহীন পূজা করা।

তাই আমিও এবারে নাকতলার পূজায় থাকছি না।”

Related Articles

Back to top button