নিউজপলিটিক্স

এবার পদক্ষেপ নেওয়া হতে চলেছে রাহুল গান্ধীর ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের বিরুদ্ধেও

নিজস্ব প্রতিবেদন: ভারতের সবথেকে পুরনো রাজনৈতিক দল কংগ্রেস অভিযোগ করেছে যে রাহুল গান্ধী সহ ৫ জন কংগ্রেস নেতার টুইটার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে যথেষ্ট চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। কংগ্রেস লাগাতার এই অভিযোগের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে চলেছে।

কংগ্রেস অভিযোগ করেছে যে কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগে রাহুল গান্ধী সহ কংগ্রেসের এই সমস্ত শীর্ষ নেতাদের টুইটার অ্যাকাউন্ট ব্লক করে দেওয়া হয়েছে। কংগ্রেস অভিযোগ করেছে যে এই সমস্ত অন্যায়ের প্রতিবাদ তারা অবশ্যই করবে, শীর্ষ নেতারা অভিযোগ করেছেন যে বিজেপি সরকার কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা করে চলেছে।

প্রসঙ্গত গত সপ্তাহে বুধবার দিল্লির ধর্ষিতা নাবালিকার পরিবারের সাথে দেখা করতে গিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। সেখানে গিয়ে তিনি নাবালিকার বাবা-মায়ের সাথে একটি ছবি পোস্ট করে বিতর্কের সাথে জড়িয়ে যান তিনি । ধর্ষিতা নাবালিকার বাবা-মায়ের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করায় তার টুইটার অ্যাকাউন্ট ব্লক করে দেয় টুইটার, এমনটাই অভিযোগ করেছে কংগ্রেস।

আরও পড়ুন –লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্প শুরু হওয়ার আগেই কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ। ভাইরাল ভিডিওর মাধ্যমে গ্রেপ্তার চারজন।

কংগ্রেস অভিযোগ করেছে যে কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অজয় মাকেন , লোকসভার সদস্য মনিক্কম ঠাকুর, কংগ্রেসের মিডিয়া ইনচার্জ রনদীপ সূর্যেওয়ালা , এছাড়াও কংগ্রেসের মহিলা সভানেত্রী সুস্মিতা দেব, কংগ্রেসের প্রাক্তন মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং এর অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড করে দিয়েছে টুইটার।

শিশু সুরক্ষা কমিশন রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিল। এরপরই তার টুইটার অ্যাকাউন্ট ব্লক করে দিয়েছিল টুইটার কর্তৃপক্ষ। এবার শিশু সুরক্ষা কমিশন ফেসবুককে একটি চিঠি লিখে আবেদন জানিয়েছে যে রাহুল গান্ধীর ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে শেয়ার করা সমস্ত ভিডিও ডিলিট করতে এবং তার ফেসবুক প্রোফাইলকে সাসপেন্ড করতে। এছাড়াও জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশন জুভেনাইল আইন লঙ্ঘন করার জন্য রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার‌ও হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

এদিকে কংগ্রেস সহ অন্যান্য বিজেপি বিরোধী দলগুলি দাবি করছে যে কেন্দ্রীয় সরকারের চাপেই টুইটার কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়ে রাহুল গান্ধী সহ অন্যান্য কংগ্রেস নেতাদের টুইটার অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড করে দিয়েছে। রাহুল গান্ধী বলেছেন যে এই সমস্ত উপায় অবলম্বন করে কেন্দ্রীয় সরকার তাঁর কন্ঠরোধ করতে পারবে না।

Related Articles

Back to top button