‘ওরা ৩ দিন আটকাবে, চতুর্থ দিন যাবোই’; শীতলকুচি কাণ্ডে কমিশনকে আক্রমণ করে হুংকার মমতার!

‘ওরা ৩ দিন আটকাবে, চতুর্থ দিন যাবোই’; শীতলকুচি কাণ্ডে কমিশনকে আক্রমণ করে হুংকার মমতার!

নিজস্ব প্রতিবেদন:শেষ পর্যন্ত শীতলকুচিতেজওয়ানদের গুলি চালানোর ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের ওপর তোপ দাগতে বাধ্য হলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।প্রসঙ্গত গতকাল চতুর্থ দফার নির্বাচনে দুপুরের দিকে হঠাৎ করেই শীতলকুচির মাথাভাঙ্গা এলাকার জোরপাটকিতে স্থানীয় গ্রামবাসীদের সাথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বচসা শুরু হয়।এমতাবস্থায় হঠাৎ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে গুলি চালানো শুরু করে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

জওয়ানদের এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ার জন্য হঠাৎ করেই কেরল থেকে বাংলায় ভোট দিতে আসা ৪ যুবকের মৃত্যু ঘটে। সাথে সাথেই সেখানে উপস্থিত হওয়ার কথা জানিয়েছিলেন মমতা। যুবকদের শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করার জন্য মাথাভাঙ্গা হাসপাতালে আগমনের বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু হঠাৎ করেই জাতীয় নির্বাচন কমিশন অস্থির পরিস্থিতি রোধ করতে আগামী ৭২ ঘন্টা কোচবিহারে যেকোনো রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের আগমনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে দেয়।

আরও পড়ুন-একদিনের জন্য 10 বছরের বাচ্চাকে করা হলো পুলিশ কমিশনার, কারণ জানলে অবাক হবেন!

সেদিন রবিবার সকালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক টুইট বার্তার মাধ্যমে জানান,”EC-র উচিৎ MCCর (Model Code of Conduct) নাম পরিবর্তন করে Modi Code of Conduct রাখা উচিৎ। বিজেপি সমস্ত চেষ্টা প্রয়োগ করেও মানুষের সঙ্গে আমার দেখা করে তাঁদের দুঃখ বেদনা ভাগ করে নেওয়া আটকাতে পারবে না। ওরা কোচবিহারে ৩ দিন ভাইবোনদের সঙ্গে দেখা করায় বাধা দিতে পারে। তবে চতুর্থ দিন আমি সেখানে যাবই”।

প্রসঙ্গত এদিন সকাল থেকেই শীতলকুচির একাংশ যুবকদের মৃত্যু ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে। স্থানীয় গ্রামবাসীরা ইতিমধ্যেই মৃতদেহ আটকে রেখে আজ গোটা দিন কালাদিবস পালনের কথা জানিয়েছেন। পাশাপাশি আজ সকাল থেকেই কালো পতাকা হাতে নিয়ে শোক মিছিল এবং শহীদ বেদী নির্মাণের কথা জানানো হয়েছে। প্রসঙ্গত মৃতদের পরিবারের দাবি, কেরল থেকে বাংলায় ভোট দেওয়ার জন্য এসেছিলেন ওই যুবকেরা। স্থানীয় রাজনীতি সাথে তাদের কোন রকম ভাবেই যোগসাজশ ছিল না।