নিউজপলিটিক্সরাজ্য

“ফ্ল্যাট খালি করার নির্দেশের কোনো আইনি বৈধতা নেই।”- শ্যালকের নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতে জানালেন শোভন চট্টোপাধ্যায়

নিজস্ব প্রতিবেদন: বর্তমানে বিতর্কের আরেক নাম শোভন বৈশাখী। এই যুগলে বর্তমানে বাংলার জনমানসে ব্যাপক বিতর্কের সূত্রপাত ঘটিয়েছেন। স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁর পুত্র কন্যার সাথে সমস্ত সম্পর্ক ত্যাগ করে বর্তমানে গোলপার্কের ফ্ল্যাটে বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় কে নিয়ে থাকেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। বেহালা পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক রত্না চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন যে তিনি তাঁর স্বামী শোভন চট্টোপাধ্যায় কে কখনোই ডিভোর্স দেবেন না।

এদিকে ডিভোর্সের মামলা দায়ের করেছেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। গত ১৭ ই মে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায় সহ তৃণমূলের তিন হেভিওয়েট নেতা। সিবিআই গ্রেফতার করার পরেই স্বামী শোভনের পাশে দাঁড়াতে ছুটে গিয়েছিলেন রত্না চট্টোপাধ্যায়, এছাড়া শোভন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হ‌ওয়ার সময়েও শোভনের পাশে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন রত্না চট্টোপাধ্যায়। সকলেই রত্নার স্বামীর প্রতি কর্তব্যবোধের যথেষ্ট প্রশংসা করেছিলেন।

আরও পড়ুন-“প্রতি বছর জামাইষষ্ঠীর দিন আমার‌ও নতুন করে জামাই সাজতে ইচ্ছা করে।”- বললেন মদন মিত্র।

কিন্তু মন গলেনি শোভন চট্টোপাধ্যায়ের। বারবার তিনি দূরে সরিয়ে দিয়েছেন স্ত্রী এবং পুত্র-কন্যাকে। বর্তমানে তিনি তার সুখ দুঃখের সাথী বলতে একমাত্র চেনেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় কে। বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় এর নামে তিনি তার সমস্ত সম্পত্তি উইল করে দিয়েছেন।

বাংলার আপামর মানুষজন শোভন চট্টোপাধ্যায়ের এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা করেছেন। শোভন চট্টোপাধ্যায় গোলপার্কের যে ফ্ল্যাটে থাকেন সেই ফ্ল্যাটটি রয়েছে তাঁর শ্যালক এর নামে। শোভনের শ্যালক তাঁকে উচ্ছেদের নোটিশ পাঠিয়ে অবিলম্বে ফ্ল্যাট খালি করার নির্দেশ দিয়েছেন। শোভনের শ্যালক বলেছেন, “এই মুহূর্তে ভাড়াটিয়া আইনের অধীনে কিছু না হলেও আগামী ৭ দিনের মধ্যেই এই ফ্ল্যাট শোভনকে খালি করে দিতে হবে।

আরও পড়ুন-জামাইষষ্ঠীর দিন শোভন চট্টোপাধ্যায়কে উচ্ছেদের নোটিশ পাঠালেন তার শ্যালক

নাহলে মামলা রুজু করা হবে শোভনের বিরুদ্ধে।”এদিকে শোভন চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, “গোলপার্কের এই ফ্ল্যাটটিতে আমি কোনভাবেই অবৈধভাবে বসবাস করছি না। তাহলে ফ্ল্যাট খালি করার কোনো আইনি নোটিশের বৈধতা নেই। এই ফ্ল্যাটে বাস করার আইনি এগ্রিমেন্ট রয়েছে আমার।

আমার সমস্ত প্রমাণ রয়েছে যে আমি বৈধভাবে বসবাস করছি এই ফ্ল্যাটে। আমরাও যদি পারি বেহালার বাড়ি থেকে আমি রত্না চট্টোপাধ্যায় কে উচ্ছেদ করে দিতে পারি। কিন্তু আমরা এমনটা করিনি।”

Related Articles

Back to top button