“যথেষ্ট জনসভা আর র‌্যালি হয়েছে। এবার মানুষকে বিচার করতে দেওয়া হোক।”- কোভিড প্রসঙ্গে বললো হাইকোর্ট।

“যথেষ্ট জনসভা আর র‌্যালি হয়েছে। এবার মানুষকে বিচার করতে দেওয়া হোক।”- কোভিড প্রসঙ্গে বললো হাইকোর্ট।

নিজস্ব প্রতিবেদন: ভারতের বুকে প্রবল শক্তি নিয়ে আঘাত করেছে দ্বিতীয় পর্যায়ের করোনা ভাইরাস। বাংলাতেও সন্ত্রাস জারি রয়েছে করোনার। বাংলার মাটিতে এখনো পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৬ লক্ষ ৬৮ হাজার ৩৫৩ জন। মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন ১০ হাজার ৬০৬ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬ লক্ষ ৪ হাজার ৩২৯ জন। এই আবহে বাংলায় নির্বাচন স্থগিত রাখার আর্জি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছেন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী।

বিজেপি থেকে শুরু করে তৃণমূল এর জনসভায় কাতারে কাতারে ভিড় জমাচ্ছেন বহু মানুষ। এই ভিড়ের মধ্যে অনেকেই মুখে মাস্ক পরছেন না, শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখছেন না। যার ফলে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। এই আবহে যাতে তিনদফার ভোট এক দফাতেই সম্পন্ন করে দেওয়া যায় তার জন্য নির্বাচন কমিশনে অনুরোধ জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু নির্বাচন কমিশন তার এই অনুরোধ নাকচ করে দিয়েছে।

আরও পড়ুন-“সব ভোটটাই দেবেন তৃণমূলকে”- জিয়াগঞ্জ এর জনসভা থেকে রাজ্যবাসীকে আহ্বান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

এই আবহের মধ্যে এবার আসরে নামল কলকাতা হাইকোর্ট। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি বলেছেন, “ভোটের দিন ঘোষণার পর থেকে এই বাংলার মাটিতে যথেষ্ট সভা আর র‌্যালি হয়েছে। এবার সাধারণ মানুষকে বিচার করতে দেওয়া হোক।”প্রধান বিচারপতি নির্দেশ দিয়েছেন, “করোনার এই ভয়াবহ আবহের মধ্যে করোনা বিধি মেনে সুষ্ঠুভাবে ভোট সম্পন্ন করতে হবে। ‌

সঠিক গাইডলাইন মেনে ভোট করানোর জন্য কমিশনকে রাজ্য সরকার সাহায্য করবে। ‌ রাজ্য সরকার এখন কিছু করতে পারবে না কেন আগামী বৃহস্পতিবার সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা করে তাদেরকে জানাতে হবে।“বাংলায় একদিকে নির্বাচনী আবহ , আবার একদিকে করোনার ভয়াবহ সন্ত্রাসের সময়ে প্রধান বিচারপতির এই কথাগুলি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।