নিউজভাইরাল & ভিডিও

জমি থেকে প্রায় 11 ফুট লম্বা বি-ষা-ক্ত কোবরা সাপ উদ্ধার করলেন যুবতী! তুমুল ভাইরাল হলো ভিডিও।

নিজস্ব প্রতিবেদন:-সোশ্যাল মিডিয়ার দরুন আমরা বর্তমান যুগে এমন বেশকিছু ধরনের ঘটনা দেখে থাকি যা হয়তো এর আগে আমরা কোনোদিন দেখিনি । সেই সমস্ত ঘটনাবলি আমাদেরকে অবাক করে তোলার পাশাপাশি করে তোলে হতভম্ভো এবং কৌতুহলী । যেহেতু সোশ্যাল মিডিয়ার হাত ধরে মুহুর্তের মধ্যে উঠে আসা যায় সবার নজরে । তাই সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করে জনপ্রিয় হতে চাই এই প্রজন্মের প্রতি ছেলে এবং মেয়ে । সেই তালিকা থেকে বাদ যায়নি অভিনেতা এবং অভিনেত্রী । নিজেদের জনপ্রিয়তা বাড়িয়ে তুলতে জীবনের ছোটখাট মুহূর্ত তুলে ধরে অনুগামীদের সাথে।

সাপের কথা নতুন করে আর বলার কিছু অপেক্ষা রাখেনা । সাপ হচ্ছে এমন এক ধরনের সরীসৃপ প্রাণী যাকে পৃথিবীর প্রতিটি মানুষ ভয় পায় । কিন্তু সাপুড়েরা কখনোই সাপকে ভয় পায় না ।কারণ তাদের কাজ সাপ নিয়ে ।এই মত অবস্থায় সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা বেশ কিছু ধরনের ভিডিও দেখতে পারি যেখানে আমরা দেখতে পাবো যে কোন সাপুড়ে বিষাক্ত সাপকে উদ্ধার করছেন ।

এর আগে বহু মানুষের মৃত্যু ঘটেছে সাপের কামড়ের ।কারণ তখনকার দিনে ছিলনা কোন উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা ও যোগাযোগব্যবস্থা । কিন্তু বর্তমান এ সেই সংখ্যা কমে এসেছে । সম্প্রতি যে ঘটনাটি সম্পর্কে আপনাদেরকে বলতে চলেছি সেটি অত্যন্ত ভয়ঙ্কর । কারণ সেখানে দেখা গেছে ১১ ফুট এর একটি লম্বা বিষাক্ত বড় কোবরা সাপ ।

সম্প্রতি একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যে কোন একটি এলাকার একটি ক্ষেতের মধ্যে একটি বিষধর সাপ যাকে কোবরা বলে সেটি ছিল সেটি নজরে প্রথমে আসে সেখানকার গ্রামবাসীদের। তারপর তারা সেখানকার স্থানীয় সাপুড়েদের খবর দেয়। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য সেই সাপুড়ে রা যথেষ্ট প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এবং এক মহিলা সাপুড়ের সেখানে কিছুক্ষণের মধ্যে উপস্থিত হন ।এবং অভিনব কায়দায় এই সাপটিকে তারা ধরতে সক্ষম হয় ।

কিন্তু ভয়ঙ্কর ব্যাপারটি হলো যে কিছুক্ষণ পর সাপটি নিজের রূপ ধারণ করে অর্থাৎ সে রীতিমত ফনা তুলে ভয় দেখাতে শুরু করে। সেই মহিলা যদিও এই লড়াই কিছুক্ষণ চলার পর অবশেষে মহিলাটিকে ব্যাগের মধ্যে ভরে নিতে সক্ষম হন। এবং পরবর্তীকালে কোথাও এই সাপটিকে নিরাপদ জায়গায় ছেড়ে দেওয়া হবে বলে জানা যায়। এই ঘটনাটি রীতিমতো নজর কেড়েছে নেটিজেনদের ।তার পাশাপাশি অনেক ধরনের মন্তব্য এসেছে সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে । এবং ভিডিও দেখে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে উঠেছে।

Related Articles

Back to top button