নিউজপলিটিক্সরাজ্য

“আমরা নিরাপত্তা দিতে পারছি না বলেই কর্মীরা দল ছেড়ে চলে যাচ্ছে ।”- মন্তব্য দিলীপ ঘোষের।

নিজস্ব প্রতিবেদন: বিজেপির সাথে চার বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করে আবার তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন করেছেন মুকুল রায়। মুকুল রায়ের পথে পা বাড়িয়ে রয়েছেন রাজীব বন্দোপাধ্যায় সহ বিজেপির আরো নেতারা। মুকুল রায় নিজে বলেছেন যে তার সাথে বহু বিজেপি নেতারা যোগাযোগ করছেন তৃণমূলে আসবে বলে। এদিকে মুকুল রায় তৃণমূল প্রত্যাবর্তন করার পর থেকেই নির্বাচনী বিপর্যয়ের পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্য নেতৃত্ব এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন রাজ্যের বিজেপি কর্মী সমর্থকরা।

অনেকেই বলেছেন, নির্বাচনী প্রচারে হিন্দিভাষী নেতাদের আধিপত্য ভালোভাবে নেয়নি বাংলার মানুষ জন। যার দরুণ এবার বিজেপির হারের পরেই বাংলায় বাড়ছে গেরুয়া শিবিরে ভাঙনের ঘটনা। একুশের ভোটের আগে ব্যাপকভাবে ভাঙন দেখা দিয়েছিলো তৃণমূলে। এবার ঠিক উল্টো পরিস্থিতি বিজেপিতে।

আরও পড়ুন-সৌমিত্রের হাত ধরে এবার উত্তরবঙ্গের আরো দুই বিধায়কের মুখেও পৃথক উত্তরবঙ্গের দাবি।

তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে ভীড় জমাচ্ছেন তৃণমূল নেতা কর্মীরা। গত সোমবার তৃণমূলে আনুষ্ঠানিক ভাবে যোগদান করেছেন আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সভাপতি গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা। যার দরুণ যথেষ্ট অস্বস্তিতে পড়েছে বিজেপি শিবির। এছাড়াও গঙ্গাপ্রসাদ এর হাত ধরে আরো বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী সমর্থক তৃণমূলে যোগদান করেছেন।

আরও পড়ুন-“রাজনৈতিক বিষয়ে কথা হয়েছে জে পি নাড্ডার সাথে”- বৈঠকের শেষে বঙ্গভঙ্গ বিতর্ক এড়িয়ে গেলেন সৌমিত্র খাঁ

এর আগেই দলবদলু বিজেপি নেতা দীপেন্দু বিশ্বাস, সোনালী গুহ তৃণমূলের ফিরতে চেয়ে ক্ষমা চেয়ে চিঠি লিখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। পদ্মফুল শিবিরে এই ভয়াবহ ভাঙনে কার্যত দুশ্চিন্তা দেখা দিয়েছে শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে।বিজেপিতে এই ভাঙ্গনের পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছেন, “যারা ভোটের আগে বিজেপিতে এসেছিলেন তারাই আবার দল ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। যারা বহু আগে থেকেই বিজেপিতে রয়েছেন তাঁরা দল বদল করেননি।

আরও পড়ুন-পিএসি চেয়ারম্যান কে হচ্ছেন? নাম জেনে ১০ কমিটির তালিকা করা হবে । স্পিকারকে জানালো বিজেপি

আমরা আমাদের জয়লাভের বিষয়টি নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছি। তাই পুরানো কর্মীরা হতাশ হলেও তাঁরা দলবদল করেননি। যাদের স্বার্থ পূরণ হয়নি তারাই দলবদল করছেন। সরকার যদি নিজে অত্যাচার করে তাহলে সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়?

বিজেপি কর্মীদের মারধর করা হয়েছে, তাদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আমরা সমর্থকদের নিরাপত্তা দিতে অসমর্থ হয়েছি, তাই অনেকেই দল ছেড়ে তৃণমূলে ঢুকছেন। আমরা তো তাদের জোর করে আটকে রাখতে পারিনা।”

Related Articles

Back to top button