নাগপঞ্চমীতে যেভাবে পুজো করলে পূর্ণ হয় মনোস্কামনা, ঘরে আসে সুখ শান্তি

বর্তমানে মানুষের জীবনে সমস্যার অন্ত নেই। সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে মানুষ ঊষাকাল থেকেই দেব-দ্বিজের পূজা-অর্চনা করে আসছেন। ভগবানের প্রতি ভক্তি সনাতন হিন্দুদের অন্যতম এক বৈশিষ্ট্য। বহুকাল থেকেই এই সনাতন ধর্মে স্থান পেয়েছে তেত্রিশ কোটি দেবতার পূজা। বিভিন্ন বিধি আচার মেনে ভগবানের পূজা পালিত হয় এই ধর্মে। জীবনের অন্ধকার দিনগুলোকে আলোয় উদ্ভাসিত করার লক্ষ্যে মানুষ মনেপ্রাণে স্তুতি করেন ভগবানের।

নাগপঞ্চমী পালিত হয় শ্রাবণ মাসের শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে।পুরান অনুসারে এই বিশেষ দিনে পাতাল থেকে সাপেরা মানুষের উপর আশীর্বাদ বর্ষণ করে। আজ ২৫ শে জুলাই নাগপঞ্চমী। আজ চন্দ্রমা উত্তরা ফাল্গুনী নক্ষত্রে দুপুর ২:১৭ তে প্রবেশ করবে। ভাগ্যকুন্ডলী থেকে কালসর্প দোষ কাটানোর জন্য এই মুহূর্তটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। নাগপঞ্চমীর রবিযোগে ভাগ্যের রাহু-কেতু দোষকেও বিশেষ পূজার দ্বারা কাটানো সম্ভব বলে মনে করেন বড়ো বড়ো জ্যোতিষীরাও।

আরও পড়ুন – মর্মান্তিক ঘটনা, ঘুষ না দেওয়ায় দরিদ্র কিশোরের সমস্ত ডিম নষ্ট করে দিলো সিভিক ভলেন্টিয়ার, ভাইরাল ভিডিও

এইদিনে নাগদেবতার মূর্তিকে দুধ দিয়ে আরাধনা করা হয়। সাথে দেওয়া হয় চন্দন এবং সিঁদুর, হলুদ। কর্পূরের প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে নাগমূর্তির সামনে নাগপঞ্চমীর ব্রতকথা পাঠ করা হয়ে থাকে। পুরান মতে এই বিশেষ দিনে সাপেদের উদ্দেশ্যে দুধ কলা উৎসর্গ করলে ধনসম্পদের মুখ দেখার পথ হবে আরো সুগম।

আরও পড়ুন – দুর্দান্ত কিছু ফিচারস সহ দারুন মোবাইল আনছে জিও, দামও নাগালের মধ্যেই, কবে মিলবে বাজারে?

বৃদ্ধি পাবে যশ, খ্যাতি, সম্পত্তি র পরিমাণ। নাগদেবতাকে তুষ্ট করতে পারলেই ঘরে আগমন ঘটে মা লক্ষ্মীর। নাগ দেবতার আশীর্বাদে জীবনের অন্ধকার দশা দূর হয়ে জীবনে আগমন ঘটবে সুখ-শান্তি-সমৃদ্ধির। নির্দিষ্ট আচার-বিধি মেনে নাগদেবতাকে প্রসন্ন করতে পারলেই স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে পাওয়া যাবে সুফল এবং ঋণ থেকে পাওয়া যাবে মুক্তি।

এখানে আপনার মতামত জানান