“তৃণমূল কংগ্রেস দলটাই তো অন্যদের নিয়ে তৈরি করা দল।”- সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূলকে আক্রমণ বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্যের।

“তৃণমূল কংগ্রেস দলটাই তো অন্যদের নিয়ে তৈরি করা দল।”- সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূলকে আক্রমণ বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্যের।

নিজস্ব প্রতিবেদন: একুশের ভোটের আগে রাজ্যে পালাবদলের ইঙ্গিত পেয়ে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে আশ্রয় নিয়েছিলেন বেশ কিছু তৃণমূল নেতা নেত্রীরা। তারাই আবার তৃণমূলের জয়লাভের পর ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গিয়ে তৃণমূলে ফিরতে চাইছেন। দলবদলু বেশ কিছু নেতা নেত্রীরা আবার বিজেপির ছত্রছায়া ছেড়ে তৃণমূলে ফিরতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন ‌।

তৃণমূলের ফিরেছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে চিঠি লিখেছেন প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সোনালী গুহ, প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক দীপেন্দু বিশ্বাস সহ আরো বেশ কয়েকজন বিজেপি নেতা নেত্রীরা। এদিকে বিজেপি নেতা তথা একসময়ের দাপুটে তৃণমূল নেতা মুকুল রায়ের অবস্থান নিয়েও যথেষ্ট চিন্তিত বিজেপি। এই আবহে আজ সাংবাদিক বৈঠক করেছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। এই বৈঠকে তৃণমূল কে কড়া ভাষায় আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য।

আরও পড়ুন-নীতি আয়োগের রিপোর্টে বাংলার থেকেও এগিয়ে ত্রিপুরা।

তিনি বলেছেন,”আমাদের দল ১৯৫২ সাল থেকে কারো আঁচল না ধরে, কারো তাঁবেদারি না করে মাথা উঁচু করে পথ চলে আসছে। কে কোন দলে চলে গেলো সে ব্যাপারে কিছু বলবো না, তবে এটা বলবো যে প্রত্যেকের জন্য শুভেচ্ছা র‌ইলো। যে যেখানে আছেন শান্তিতে আছেন। যেখানে গিয়ে শান্তি পাবেন সেখানে গিয়ে থাকুন‌ । আমরা অনেক চড়াই উৎরাই, প্রতিকূল পরিস্থিতি দেখেছি। সেই জায়গা থেকে আমরা আজ এই জায়গায় পৌঁছেছি।

আরও পড়ুন-“অবসরপ্রাপ্ত আমলাদের পুনর্নিয়োগের বাধ্যতামূলক হবে ভিজিল্যান্সের ছাড়পত্র।”- জারি হল নির্দেশিকা।

কে কার দলে কাকে নেবেন সেটা সম্পূর্ণ তাদের বিষয়। তৃণমূল কংগ্রেস দলটাই হল অপরকে নিয়ে তৈরি করা। ওরা কোনো পৃথক মতাদর্শ নিয়ে গড়ে ওঠেনি। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দল থেকে ওরা লোক নিয়েছে। দল থেকে তবু একজন চলে যাওয়ার অর্থ দলের ক্ষতি। কিছু জায়গায় মানুষকে জোর করে তৃণমূলের পতাকা হাতে ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এতে করে বিজেপিকে আটকানো যাবে না।”