নিউজপলিটিক্সরাজ্য

বিজেপির দখলে থাকা মালদা জেলা পরিষদে অনাস্থা প্রস্তাব আনল তৃণমূল কংগ্রেস।

নিজস্ব প্রতিবেদন: সারা রাজ্যে তৃতীয়বারের জন্য সরকার প্রতিষ্ঠা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। একুশের ভোটে মাত্র ৭৭ টি সীট নিয়ে তৃণমূলের কাছে রীতিমতো পর্যুদস্ত হয়েছে বিজেপি। সেইদিকে ২১৩ টি সীট নিয়ে রাজ্যে জয়জয়কার তৃণমূলের। তবে একুশের ভোটের হটস্পট নন্দীগ্রামে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করে জিতে গিয়েছেন একদা তার সেনাপতি বর্তমান বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী।

বর্তমানে বিরোধী দলনেতা পদে আসীন হয়েছেন শুভেন্দু। কিন্তু সারা রাজ্যে জারি রয়েছে বিজেপি এবং তৃণমূল এর মধ্যে অহরহ কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি। করোনার এই ভয়াবহ আবহেও জারি রয়েছে বিজেপি এবং তৃণমূল তরজা। এই পরিস্থিতিতে মালদা জেলা পরিষদের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনন্দ তৃণমূল কংগ্রেস।

আরও পড়ুন-“আপনারা চিন্তা করবেন না। দিদি আপনাদের সাথে রয়েছেন।”- কৃষক বন্ধু প্রকল্পের ভাতা বৃদ্ধি করার পরেই টুইট করলেন মুকুল-সায়ন্তিকারা

রাজ্য নেতৃত্তের নির্দেশ অনুযায়ী গতকাল ডিভিশনাল কমিশনারের কাছে এই অনাস্থা প্রস্তাব পেশ করেছে জেলা তৃনমূল সদস্য বৃন্দ।বিধানসভা নির্বাচনের পূর্বে মালদা জেলা পরিষদের সভাধিপতি গৌর চন্দ্র মন্ডল এবং আরো বেশ কয়েকজন তৃণমূল থেকে বিজেপিতে নাম লেখান। তারপরই জেলা পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রসঙ্গে তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে দ্বৈরথ চরমমাত্রায় পৌঁছায়। নির্বাচন মিটতেই বিজেপি নেতা গৌর চন্দ্র মন্ডলের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার প্রস্তুতি নেয় জেলা তৃণমূল কমিটি।

আরও পড়ুন-“এখনই চালু করা যাবেনা গণপরিবহন। গাড়ির ব্যবস্থা করেই খুলতে হবে অফিস।”- জানালেন ফিরহাদ হাকিম

গতকাল তৃণমূল কর্মীবৃন্দ ডিভিশনাল কমিশনারের হাতে এই অনাস্থা প্রস্তাব পত্র তুলে দিয়েছে। মালদা জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী মৌসম বেনজির নূর বলেছেন, “বর্তমানে তৃণমূলের হাতেই রয়েছে এই জেলা পরিষদ। আমাদের দলে এখন ২৩ জন সদস্য রয়েছেন। তারা ডিভিশনাল কমিশনার এর কাছে অনাস্থা প্রস্তাব দিয়েছেন।

বিধানসভা ভোটের আগেই যারা দল ছেড়ে অন্য দলে যোগদান করেছেন তাদের আর দ্বিতীয়বার তৃণমূলে যোগদান করতে দেওয়া হবে না।”তবে এই প্রসঙ্গে এখনো পর্যন্ত গৌর চন্দ্র মন্ডলের প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

Related Articles

Back to top button