নিউজটেক নিউজরেল

সকাল থেকেই ট্রেন অবরোধ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ালো মল্লিকপুর স্টেশনে।

নিজস্ব প্রতিবেদন: করোনা আবহে বন্ধ হয়ে রয়েছে লোকাল ট্রেনের চলাচল। যে কয়েকটি স্টাফ স্পেশাল চলছে তাতে শুধু ওঠার অনুমতি রয়েছে রেল কর্মচারী, ব্যাঙ্ককর্মী, স্বাস্থ্যকর্মীদের। এদিকে রাজ্য জুড়ে চালু করা হয়েছে সরকারি এবং বেসরকারি অফিস গুলি। যার দরুণ অফিসে না যেতে পেরে যথেষ্ট সঙ্কটে পড়েছেন বহু মানুষ।

কর্মচারীদের যাতায়াতের ব্যবস্থা অফিসগুলোকে করতে বললেও বেশিরভাগ অফিস এখনো তাদের কর্মচারীদের যাতায়াতের ব্যবস্থা করতে পারেনি। যার দরুণ সংকটজনক পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছে বিশেষ করে বেসরকারি অফিসের কর্মচারীরা। এইবার বহু মানুষ আওয়াজ তুলছেন যে অবিলম্বে লোকাল ট্রেন চালু হোক। এই দাবি জানিয়ে আজ সকাল থেকে ধুন্ধুমার কান্ড ঘটে গিয়েছে সোনারপুর এবং শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার মল্লিকপুর স্টেশনে।

আরও পড়ুন-“১২ বছরের পর্যন্ত শিশুদের মায়েদের টীকাকরণে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।”- ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী।

আজ সকালে সোনারপুর স্টেশনে অফ ক্যানিং স্টাফ স্পেশাল ট্রেন আটকে দিয়ে অবরোধ শুরু করে দিয়েছেন নিত্যযাত্রীরা। ‌ সকলের দাবি অবিলম্বে চালাতে হবে লোকাল ট্রেন। ঘন্টা খানিক পরে রেল পুলিশ ওই অবরোধ উঠিয়ে দেয়। তারপর আবার ওই ট্রেন পৌঁছে বারুইপুর শাখার মল্লিকপুর স্টেশনে, সেখানে পৌঁছানো মাত্র‌ই এক‌ই দাবিতে ওই স্টেশনেও ট্রেন আটকে অবরোধ শুরু করে দেয় বিক্ষুব্ধ নিত্যযাত্রীরা।

আরও পড়ুন-“বিজেপি করার প্রায়শ্চিত্ত করলাম।”- মাথা ন্যাড়া হয়ে বিজেপি থেকে তৃণমূলে যোগদান ৫০০ জন কর্মীর।

এর পাশাপাশি ক্যানিং শাখার ঘুটিয়ারি স্টেশনেও অবরোধ শুরু হয়ে যায়। মল্লিকপুরে অবরোধ তুলতে এলে নিত্যযাত্রীদের সাথে রীতিমতো বসায় এবং হাতাহাতি শুরু হয়ে যায় আরপিএফ এবং জিআরপির পুলিশকর্মীদের মধ্যে। পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছোঁড়া হয়। বিক্ষোভ থামাতে গিয়ে নিত্যযাত্রীদের আক্রমণের মুখে পড়েন জিআরপি এবং আরপিএফ এর পুলিশকর্মীরা। ‌

সিআরপির একটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। মল্লিকপুর স্টেশনে রীতিমতো ধুন্ধুমার কান্ড ঘটে যায়। অবরোধকারীরা অভিযোগ করেছেন যে সোনারপুর স্টেশনে অবরোধ চলাকালীন রেল যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তা পূরণ করেনি রেল।

Related Articles

Back to top button