আগামী কয়েকদিন আরো বাড়বে তাপমাত্রার পারদ; জানালো হাওয়া অফিস!

আগামী কয়েকদিন আরো বাড়বে তাপমাত্রার পারদ; জানালো হাওয়া অফিস!

নিজস্ব প্রতিবেদন:-বৃহস্পতিবার থেকে টানা তিনদিন রাজ্যে কালবৈশাখীর পূর্বাভাস থাকলেও পরবর্তী দুদিন আর বিশেষ কোনো রকম পূর্বাভাস লক্ষ্য করা যায়নি। এমতাবস্থায় আবারো হঠাৎ করেই রাজ্যের তাপমাত্রা ঊর্ধ্বমুখী হতে শুরু করে দিয়েছে। তাপপ্রবাহ বা রোদের বিশেষ প্রভাব না থাকলেও রবিবার সকাল থেকেই বেশ গুমোট গরম অনুভূত হচ্ছে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। তবে কিছু কিছু জায়গায় আকাশ এখনো মেঘাচ্ছন্ন অবস্থায় রয়েছে।

যার ফলে ভ্যাপসা গরমের পরিমাণ আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। কলকাতাসহ রাজ্যের বেশ কয়েকটি জেলাতে আজ তাপমাত্রার পারদ ৩৮ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে। বাতাসে শুষ্কতার পরিমাণ অনেকটাই বেড়েছে।আসুন আর দেরি না করে আজ পশ্চিমবঙ্গের কোথায় কেমন থাকবে তাপমাত্রা তা জেনে নেওয়া যাক। আজ রবিবার উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং প্রভৃতি জেলাতে সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে যথাক্রমে ১৭ ডিগ্রি ও ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এছাড়াও জলপাইগুড়ি, কোচবিহার প্রভৃতি অঞ্চলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকছে প্রায় ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস মত।এবার আসা যাক দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলির কথায়। দক্ষিণবঙ্গের বীরভূম, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া প্রভৃতি জায়গায় আজ রোদের তীব্রতা বৃদ্ধি পাবে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে মোটামুটি ৩৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ২৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতায় আজ সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৬.২ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আরও পড়ুন-লাগামছাড়া করোনা সংক্রমণ;২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছল ৪০০০ এর উপর!জেনে নিন গতকালের পরিসংখ্যান।

উত্তরবঙ্গ সহ দক্ষিণবঙ্গের কোন জেলাতে আজ বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।বাতাসে আপেক্ষিক আদ্রতার পরিমাণ অন্যান্য দিনের তুলনায় আজ অনেকটাই বেশি। বিকেলের দিকে দক্ষিণবঙ্গের বেশকিছু জেলায় ঝড়ো হাওয়া বইতে দেখা যেতে পারে। এছাড়া আর বিশেষ কোনো প্রভাব পড়বে না তাপমাত্রার উপর।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর এর জারি করা তথ্য অনুযায়ী পরবর্তী কয়েক দিন অর্থাৎ বৈশাখ মাসের শুরুর সময় পর্যন্ত তাপমাত্রা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

তাই গরমের সাথে মোকাবিলা করার জন্য আগাম সতর্কবার্তা অত্যধিক প্রয়োজন।ঋতু পরিবর্তনের এই কালে যতটা সম্ভব চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে নিজেকে সুস্থ এবং স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করুন। অধিক পরিমাণে জল পান করুন এবং সঠিক সময়ে খাদ্যগ্রহণ করুন। এতে আপনার শারীরিক স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। শিশু এবং বৃদ্ধদের জন্য এই সময়ে অত্যধিক যত্ন নেওয়া প্রয়োজন।