নিউজ

জলবন্দি পরিস্থিতির মধ্যেই স্বাধীনতা দিবসের উদযাপন ঘাটালের পড়ুয়াদের।

নিজস্ব প্রতিবেদন: মারাত্মক বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে ঘাটালে। টানা দুই সপ্তাহ ধরে রাজ্যের মাটিতে ব্যাপক বৃষ্টিপাতের দেখা মিলছে যার জন্য বেশ কিছু নদীতে মারাত্মক হারে জলস্তর বৃদ্ধি পেয়েছে। শীলাবতী নদীর জল বৃদ্ধি পেয়ে ঘাটালের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। ঘাটালের সাংসদ দেব নিজে কয়েকদিন আগেই ঘাটালে উপস্থিত হয়ে বন্যা পরিস্থিতির পর্যবেক্ষণ করেছেন।

এই পরিস্থিতিতে তিনি ঘাটাল বাসীর পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। ঘাটাল পৌছেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি ঝাড়গ্রাম গিয়েছিলেন। সেখান থেকে ফেরার পথে তিনি ঘাটালে বন্যা পরিস্থিতির পর্যবেক্ষণ করেছেন। তাঁর সাথে উপস্থিত ছিলেন ঘাটালের সাংসদ দেব‌ও। রীতিমতো জলে দাঁড়িয়েই মুখ্যমন্ত্রী মানুষের দিকে ভরসার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।

আরও পড়ুন –অজয় নদে দেখা পাওয়া গেল ব্রিটিশ আমলের বোমার। রীতিমতো চাঞ্চল্য এলাকা জুড়ে।

এখনো পর্যন্ত ঘাটাল সম্পূর্ণ জলমগ্ন হয়ে রয়েছে। এই জায়গায় বিভিন্ন এলাকায় এখনও বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছে এবং পানীয় জলের ব্যাপক সংকট দেখা দিয়েছে। কিন্তু এই জল যন্ত্রণার মধ্যেই গত রবিবার ঘাটালের বিভিন্ন স্কুলে নৌকায় চড়ে পৌঁছে গিয়েছে দলে দলে শিক্ষক এবং পড়ুয়ারা। সেখানে স্কুলের মধ্যেও বন্যা পরিস্থিতির রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেও স্কুলে গৌরবের সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছে অকুতোভয় এবং দৃঢ়চেতা পড়ুয়ারা।

এছাড়াও ঘাটালের এই জনবন্দী পরিস্থিতিতেও মানুষ তাদের স্বাধীনতার মুক্তির আস্বাদের আনন্দ ভাগ করে নিয়েছে। কিন্তু তবুও এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে ঘাটালের ১১ জন মানুষের মৃত্যু ঘটায় অনেকেই এই স্বাধীনতা দিবসেও অশ্রু বিসর্জন থেকে বেরিয়ে আসতে পারেন নি। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে যে ঘাটাল ব্লকের এখনো ৩ থেকে ৪ টি গ্রামে বন্যা পরিস্থিতি বজায় রয়েছে। এখনো বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ঘাটালের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে মোতায়েন রয়েছে।

Related Articles

Back to top button