নিউজটেক নিউজরাজ্য

সরকারি স্কুল সংক্রান্ত তথ্য না থাকায় হাইকোর্টের কাছে চূড়ান্ত ভর্ৎসনার শিকার হল রাজ্য তৃণমূল সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদন: এসএসসি মারফৎ শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে এর আগেও কলকাতা হাইকোর্টে বেশ কয়েকবার ধাক্কা খেয়েছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছ্বতা না থাকায় ব্যাপক ভর্ৎসনার মুখে পড়েছিলো রাজ্য। এবার আবার একবার কলকাতা হাইকোর্টের চূড়ান্ত ভর্ৎসনার মুখে পড়লো রাজ্য সরকার।বিচারপতি রাজেশ বিন্দালের ডিভিশন বেঞ্চে রীতিমতো অস্বস্তিতে পড়েছিলো রাজ্য সরকার।

কারণ রাজ্যের হাতে নেই সরকারি স্কুল সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নথিপত্র। এই বিষয়টি শুনেই বিচারকরা যথেষ্ট ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রাজ্যের এই গাফিলতির বিরুদ্ধে।কয়েকদিন আগে শুভপ্রকাশ লাহিড়ী নামক এক বিশিষ্ট আইনজীবী আদালতে মামলা করেছিলেন। তিনি অভিযোগ করেছিলেন যে, “রাজ্যের বহু স্কুলে দেখা গিয়েছে অতিরিক্ত শিক্ষক রয়েছে, আবার বেশ কিছু স্কুলে দেখা গিয়েছে প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট সংখ্যক শিক্ষক-শিক্ষিকা নেই।

আরও পড়ুন-প্রথম গ্যাস চালিত বেসরকারি বাসের যাত্রার শুভ সূচনা হলো কলকাতায়। উদ্বোধন করলেন ফিরহাদ হাকিম।

যার ফলে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় স্কুল ছুটের সংখ্যা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার এই সমস্যার সমাধান কল্পে কোনরকম উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না।”গতকাল কলকাতা হাইকোর্টে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে বিচারপতি রাজেশ বিন্দালের ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্যের আইনজীবীর কাছে জানতে চেয়েছিলাম যে পশ্চিমবঙ্গে এখনো পর্যন্ত মোট কতগুলি সরকারি স্কুল আছে এবং সেই স্কুলগুলিতে মোট কত সংখ্যক শিক্ষক-শিক্ষিকা রয়েছেন। কিন্তু আশ্চর্যজনক ভাবে রাজ্যের আইনজীবীর কাছে এই সংক্রান্ত কোনো রকম তথ্য ছিল না যার ফলে তিনি আদালতে স্কুল সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গুলি উপস্থাপিত করতে পারেননি।

আরও পড়ুন-প্রবল বৃষ্টিতে বিপজ্জনকভাবে জল বাড়ল ভাগীরথীর। জল ঢুকেছে নদীয়ার বেশ কয়েকটি গ্রামে

তখন সরকারি আইনজীবী আদালতের কাছে কয়েকদিন সময় প্রার্থনা করেন। এর উত্তরে বিচারক মন্ডলী বলেছেন,”এই সমস্ত তথ্য দেওয়ার জন্য অন্তত একদিন সময় হলেই যথেষ্ট বলে বিবেচিত হবে। ‌ তাহলে রাজ্য সরকার কোনো রকম তথ্য ছাড়াই স্কুল গুলিকে দিনের পর দিন চালিয়ে আসছে ? সরকারি আইনজীবীকে যথেষ্ট ভর্ৎসনা করেছেন রাজেশ বিন্দালের ডিভিশন বেঞ্চ।

এরপরে অবশ্য সরকারি আইনজীবী কে সমস্ত তথ্য আদালতে উপস্থাপিত করার জন্য একমাসের সময় দিয়েছেন বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।

Related Articles

Back to top button