নিউজপলিটিক্সরাজ্য

আর্থিক মন্দার কারণে হেস্টিংসের অফিস ছোট করার সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য বিজেপি।

নিজস্ব প্রতিবেদন: একুশের ভোটে চেয়ে পালাবদলের ঝড় উঠেছিল রাজ্য জুড়ে। পোড়-খাওয়া রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও ভেবেছিলেন যে এবারে হয়তো রাজ্যের তৃণমূলের জমানা শেষ হতে চলেছে। যার জন্য কলকাতার হেস্টিংস এর বিজেপি পার্টি অফিসকে যথেষ্ট সুদৃশ্য রূপে গড়ে তোলা হয়েছিলো। হেস্টিংসের আগরওয়াল হাউসের মোট ৫ তলা ভাড়া নিয়েছিলো রাজ্য বিজেপি।

একুশের নির্বাচনে বিজেপির জয় যে অবশ্যম্ভাবী এমনটাই ইঙ্গিত পেয়েছিলেন রাজ্য বিজেপির নেতারা। তাই হেস্টিংস এর বিজেপির দলীয় দপ্তর বড়ো করে সাজাতে চেয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। কিন্তু একুশের ভোটের ফলাফলে কার্যত স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে বিজেপির। এদিকে দলীয় স্তরে কিছুটা আর্থিক মন্দার সম্মুখীন হয়েছে বিজেপি।

আরও পড়ুন-“শিক্ষিত বেকারদের চোখের জলের টাকা ক্লাবগুলির হাতে তুলে দেবেন না”- মুখ্যমন্ত্রী কে আক্রমণ করলেন রুদ্রনীল ঘোষ

যার জন্য এবার হেস্টিংস এর বিজেপি পার্টি অফিসে কিছুটা কাটছাঁট করতে চলেছেন দিলীপ ঘোষ।একুশের নির্বাচনে রাজ্যে ব্যাপকভাবে জলের মতো টাকা খরচ করেছে বিজেপি। কেন্দ্রীয় নেতারা বারবার হেলিকপ্টারে এবং চার্টার্ড প্লেনে দিল্লি থেকে বাংলা যাতায়াত করেছেন। যার দরুণ নির্বাচনে ব্যাপক খরচ হয়েছে বিজেপির।

তাই এবার অর্থসঙ্কটের মুখে পড়ে কলকাতার বিজেপির দপ্তর সংকুচিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন যে অর্থাভাব কে সামাল দিতেই দপ্তর সংকুচিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে দলমত নির্বিশেষে।বিজেপি কর্মী, শুভানুধ্যায়ীদের এবং নেতাদের থেকে চাঁদা নেওয়া হয়। এছাড়াও বিজেপিতে ফান্ডিং করলে মোটা টাকা কর ছাড় পাওয়া যায়, এমনটাই জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুন-“বিজেপির বিদায় আসন্ন, ত্রিপুরায় সরকার গড়বে তৃণমূল”- মন্তব্য কুণাল ঘোষের

যার ফলে কোন ছাড় দেওয়ার লক্ষ্যে অনেকেই বিজেপিতে মোটা টাকা চাঁদা দিতেন। এছাড়াও ১১ ই ফেব্রুয়ারি দীনদয়াল উপাধ্যায়ের মৃত্যুবার্ষিকী তে ‘সমর্পন দিবসে’ কর্মী সমর্থকদের থেকে মোটা টাকা চাঁদা নেওয়া হত। এভাবেই দলে ফান্ডিং আসতো। কিন্তু করোনা আবহে এই ফান্ডিং অনেকটাই কম হয়ে গিয়েছে।

তাই এবার কলকাতার বিজেপি দপ্তর সংকুচিত করা হয়েছে। তাই এই আগর‌ওয়াল হাউসের মোট তিনটি তলা ছেড়ে দিয়ে মোট ২ টি তলায় বিজেপির পার্টি অফিসের কাজ চালু আছে।

Related Articles

Back to top button