দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তে প্রমাণিত হল গুলির লড়াইয়েই মৃত্যু হয়েছে জয়পাল ভুল্লারের।

দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তে প্রমাণিত হল গুলির লড়াইয়েই মৃত্যু হয়েছে জয়পাল ভুল্লারের।

নিজস্ব প্রতিবেদন: নিউটাউনের সাপুরজি আবাসনে লুকিয়ে ছিলো দুই কুখ্যাত গ্যাংস্টার জয়পাল ভুল্লার এবং যশপ্রীত সিং খাড়ার। পাঁচতলার ব্যালকনি থেকে এবং লবি থেকে পুলিশকে অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র থেকে গুলি চালাতে শুরু করে দুই কুখ্যাত দুষ্কৃতী। সাথে সাথে জবাবি হামলা চালায় স্পেশাল টাস্ক ফোর্স। গুলি লেগে লুটিয়ে পড়ে দুই গ্যাংস্টার।

পাঞ্জাবের এক পুলিশ কর্মীর ছেলে জয়পালের মাথার দাম ছিলো ১০ লক্ষ টাকা। দুজনের নামে ৪০ টি মামলা ঝুলছে। তাদের ফ্ল্যাট থেকে পুলিশ আধুনিক ৫ টি অটোমেটিক পিস্তল এবং ৮৯ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে এছাড়াও উদ্ধার করেছে নগদ ৭ লক্ষ টাকাও। এসটিএফের এক অফিসার এই এনকাউন্টারে আহত হয়েছেন।

আরও পড়ুন-“পাহাড়ি এলাকায় ভারতীয় সেনার সাথে লড়াই করার মতো যথেষ্ট প্রশিক্ষণ নেই চীনাদের”- বললেন সেনাপ্রধান বিপিন রাওয়াত

জয়পালের ফ্ল্যাট থেকে পুলিশ বেশ কিছু প্লাস্টিকের ব্যাগ পেয়েছে, ওই ব্যাগে পাকিস্তানের করাচির ঠিকানা উল্লেখ রয়েছে। বি ব্লকের ২০১ নম্বর ফ্ল্যাটে জয়পালের ডেরা থেকে ৬ টি মোবাইল এবং বেশ কিছু সিম কার্ড‌ও উদ্ধার করা হয়েছে। এদিকে জয়পালের বাড়ির লোক দাবি করেছিলো যে ভুয়ো এনকাউন্টারে মেরে দেওয়া হয়েছে জয়পালকে। জয়পাল এর বাবা ছেলের মৃতদেহ নিতে কলকাতায় এসেছিলেন।

আরও পড়ুন-খাবার ডেলিভারি দিতে যাওয়া জুমাটো ডেলিভারি বয় কে বাইক কিনে দিলেন ক্রেতা।

তিনি পাঞ্জাবে ফিরে গিয়ে ছেলের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। ‌ তারপরেই জয়পালের দেহের দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত করা হয়। দ্বিতীয় ময়নাতদন্তে প্রমাণিত হয়েছে যে জয়পালের মৃত্যু হয়েছে গুলির সংঘর্ষে। ময়না তদন্তের সময় জয়পালের দেহ থেকে চারটি গুলি বের করা হয়েছিলো এবং তার দেহে আরো দশটি গুলির আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছিলো।