সাংঘাতিক রোদে অস্বস্তির মধ্যে পড়তে চলেছেন রাজ্যবাসী। তাপমাত্রা যেতে চলেছে ৪০ ডিগ্রিতে।

সাংঘাতিক রোদে অস্বস্তির মধ্যে পড়তে চলেছেন রাজ্যবাসী। তাপমাত্রা যেতে চলেছে ৪০ ডিগ্রিতে।

নিজস্ব প্রতিবেদন: বৈশাখের কাঠফাটা রোদে নাজেহাল বঙ্গবাসী। এখনো পর্যন্ত স্বস্তির বৃষ্টির সেরকমভাবে দেখা মেলেনি। দিনের পর দিন আস্তে আস্তে বাড়ছে তাপমাত্রা, সেই সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রোদের তাপ‌ও। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে যে, খুব শীঘ্রই তাপমাত্রার হার বাড়তে চলেছে ৪০ ডিগ্রির‌ও উপরে। বৃষ্টির আশায় রয়েছেন মানুষজন। কিন্তু এখনো পর্যন্ত দেখা নেই স্বস্তিজনক বৃষ্টির।কলকাতায় সেরকম বৃষ্টির এখনও দেখা মেলেনি।

বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছিল আবহাওয়া দপ্তর কিন্তু বৃষ্টি হয়েছে সামান্য কয়েক পশলা মত। এই বৃষ্টির আশায় হন্যে হয়ে অপেক্ষা করছে রাজ্যবাসী। একদিকে সারা রাজ্য জুড়ে প্রবল আতঙ্কের সূচনা করেছে করোনা ভাইরাস। তার উপরে আবার এই তীব্র দাবদাহ আরো সঙ্কটে ফেলে দিয়েছে রাজ্যবাসীকে। আজ কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে চলেছে প্রায় ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে চলেছে প্রায় ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি।

আরও পড়ুন-অক্সিজেনবাহী এক্সপ্রেস পৌঁছালো মহারাষ্ট্রে। কিছুটা স্বস্তিতে মহারাষ্ট্রবাসী

আবহাওয়া দপ্তরের সূচি অনুযায়ী আজ সকালের দিকে বেশ কিছু এলাকায় রৌদ্রোজ্জ্বল আকাশ থাকবে এবং রাতের দিকে হালকা মেঘ এর উপস্থিতি থাকতে পারে বলে জানা গিয়েছে।এছাড়াও আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে আজ সারাদিন বৃষ্টি দেখা মিলবে না, বেলা যত বাড়বে তাপমাত্রা ততই বাড়তে পারে।

সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রার বৃদ্ধি ঘটবে বলে জানা গিয়েছে।এখনো পর্যন্ত কোন নিম্নচাপের দেখা মেলেনি বা সেরকমভাবে কালবৈশাখী এসে উপস্থিত হয়নি বাংলার মাটিতে। ‌ তবে আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে মে মাস নাগাদ বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।