মিমি চক্রবর্তীর উদ্যোগে ধরা পড়লো জাল ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পের পান্ডা

মিমি চক্রবর্তীর উদ্যোগে ধরা পড়লো জাল ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পের পান্ডা

নিজস্ব প্রতিবেদন: ভ্যাকসিন জালিয়াতির শিকার হলেন যাদবপুরের তৃণমূল সাংসদ অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। তৃণমূল সাংসদ মিমি চক্রবর্তী করোনার প্রথম পর্যায়ের লকডাউন থেকেই মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। করোনার বিপর্যয় অথবা ইয়াসের ধাক্কায় বিপর্যস্ত মানুষের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন অভিনেত্রী তথা সাংসদ মিমি। তিনি তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ এবং রূপান্তরকামীদের জন্য করোনার ভ্যাকসিনের একটি ক্যাম্পের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হয়ে গিয়েছিলেন।

গত মঙ্গলবার মিমি চক্রবর্তীর উপস্থিতিতে যাদবপুর কেন্দ্রের তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের দেওয়া হয়েছিলো করোনার ভ্যাকসিন, সেখানেই মিমিও করোনার প্রথম ভ্যাকসিন নিয়েছিলেন। প্রাইড মান্থ উপলক্ষে এই করোনা ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যবস্থা করেছিলো ওই সংস্থা যেখানে আমন্ত্রিত ছিলেন মিমি। রূপান্তরকামীদের এবং তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেওয়ায় সকলেই এই উদ্যোগের করেছেন। এই কেন্দ্রে শুধুমাত্র তৃতীয় লিঙ্গের মানুষরা ছাড়াও বিশেষভাবে সক্ষম মানুষেরাও ভ্যাকসিন নিয়েছেন।

আরও পড়ুন-বিজয় মালিয়া, মেহুল চোকসি এবং নীরব মোদীর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ৯ হাজার কোটি টাকা ফিরিয়ে দিলো ইডি।

কিন্তু এখানে ভ্যাকসিন নিয়েই খটকা লাগে মিমির। কসবার ১০৭ নম্বর ওয়ার্ডে এই শিবিরে ভ্যাকসিন নিলেও মিমির ফোনে কোনো মেসেজ আসেনি। ওখানে যারা যারা ভ্যাকসিন নিয়েছেন কারো ফোনেই কোনো মেসেজ আসেনি। এরপরই তিনি সার্টিফিকেটের খোঁজ করলে ক্যাম্প থেকে তাকে জানানো হয় যে অন্তত চার দিন পরে সার্টিফিকেট পাওয়া যাবে।

আরও পড়ুন-একশো দিনের কাজে আবার মিললো সাফল্য। ৪০ দিনে কর্মদিবস বেড়েছে প্রায় দশ গুণ

এই ধরনের বিভ্রান্তি সৃষ্টি হওয়ায় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেন মিমি চক্রবর্তী। ‌ তারপরেই ওই ক্যাম্পের আয়োজক দেবাঞ্জন দেবকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জানা গিয়েছে ওই ব্যক্তি নিজেকে আইএস দাবি করে কলকাতা পুরসভার যুগ্ম কমিশনারের পদ ব্যবহার করে তাঁর স‌ই জাল করে কেএমসির নামে নকল ক্যাম্প চালাচ্ছিলেন । এছাড়াও পুরসভার লোগো দেওয়া মাস্ক-স্যানিটাইজার ব্যবহার করা হয়েছিল এই ক্যাম্পে।

আরও পড়ুন-সকাল থেকেই ট্রেন অবরোধ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ালো মল্লিকপুর স্টেশনে।

মিমি বলেছেন,”যখন‌ই আমার ভ্যাকসিন নেওয়ার পরে কোনো মেসেজ আসেনি, তখনই আমার সন্দেহ হয়েছিলো। আরো ২০০ জন যারা ভ্যাকসিন নিয়েছিলো তাদের‌ও মেসেজ আসেনি বা তাদের সার্টিফিকেট দেওয়া হয়নি। তখনই আমি কমপ্লেইন করি।”