“বাংলার একমাত্র রাজনৈতিক ব্যক্তি যিনি রাজনীতির পরম্পরা ধরে রেখেছিলেন”- দিলীপ ঘোষ

রাজনৈতিক জগতের আরেকটি স্বর্ণময় যুগের সমাপতন ঘটলো। পৃথিবীর বুক থেকে চিরবিদায় নিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র ওরফে সকলের প্রিয় ছোড়দা। বুধবার গভীর রাতে বেলভিউ হাসপাতালে জীবনাবসান ঘটেছে তাঁর।মৃ-ত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিলো ৭৯ বছর। অসুস্থ হয়ে গত ২১ শে জুলাই থেকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন সোমেন বাবু। তাঁর মৃ-ত্যুতে কংগ্রেস সহ বাংলার রাজনৈতিক স্তরে শোকের আবহের সৃষ্টি হয়েছে।

এই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ বহুদিন ধরেই হৃদযন্ত্রের সমস্যার শি-কা-র হয়েছিলেন। দিল্লি এইমসেও চিকিৎসা হয়েছিলো তাঁর। ২১ শে জুলাই নিঃশ্বাসের সমস্যা নিয়ে তাঁকে ভর্তি করা হয় বেলভিউ হাসপাতালে। সাথে সামান্য জ্বর ছিলো। তাঁর রক্তে হঠাৎ ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা বেড়ে যাওয়াতে তাঁকে আইসিইউতে স্থানান্তরিত করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। করোনা পরীক্ষা হয় তাঁর, রিপোর্ট আসে নেগেটিভ। গত শনিবার জানা যায় যে সোমেন বাবুর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে।

আরও পড়ুন –ধূমপায়ীদের জন্য দুঃসংবাদ, করোনায় ধূমপানকারীদের নিয়ে বড় ঘোষণা কেন্দ্রের

কিডনি কাজ করছিলো না, সেই সাথে হৃদস্পন্দনের মাত্রাও গিয়েছিলো কমে। আজ ভোর থেকেই হাসপাতালে তাঁর অসংখ্য অনুগামীদের ভীড় রয়েছে। আজ সকাল ৯:৩০ নাগাদ তাঁর দেহ নিয়ে যাওয়া হবে বিধানভবনে, সেখানে তাঁর দেহ রাখা থাকবে ২ ঘন্টা। তারপরে তাঁর মরদেহ বিধানসভায় নিয়ে যাওয়া হবে। তারপরে তার বাসভবনে নিয়ে যাওয়া হবে দেহ। তারপরে তাঁর আদি বাসভবন ৪৫ নম্বর আমহার্ষ্ট স্ট্রিটে তাঁর দেহ নিয়ে যাওয়া হবে।

আরও পড়ুন –বাংলায় পরপর টানা লকডাউনের মধ্যে কবে খুলবে স্কুল-কলেজ? বড় ঘোষণা নবান্নের

সন্ধ্যায় নিমতলা শ্মশানে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেছেন, “খুবই দুঃখজনক ঘটনা এটি। সোমেন বাবু দীর্ঘদিনের রাজনীতিবিদ্। তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বর্তমানের এই রাজনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে মেলে না। তিনি একটা আলাদা স্বতন্ত্র রাজনৈতিক পরম্পরা ধরে রেখেছিলেন। তিনি চলে যাওয়াতে বাংলার রাজনৈতিক জগতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটলো।”

এখানে আপনার মতামত জানান