“নদীবাঁধের টাকা নয়ছয় করা হয়েছে। দূর্নীতিবাজদের রেহাই নয়।”- রামনগর থেকে বললেন অভিষেক।

“নদীবাঁধের টাকা নয়ছয় করা হয়েছে। দূর্নীতিবাজদের রেহাই নয়।”- রামনগর থেকে বললেন অভিষেক।

নিজস্ব প্রতিবেদন: গতকাল সুন্দরবনের পাথরপ্রতিমা এবং সন্দেশখালির ইয়াস বিপর্যস্ত এলাকা গুলি ঘুরে দেখেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিপর্যস্ত এলাকার মানুষের সাথে কথা বলেছেন তিনি। গতকাল সকালেই মহেন্দ্রপুর হাই স্কুল মাঠে অবতরণ করে তার হেলিকপ্টার। তারপর তিনি সোজা চলে যান দেবীচকের ত্রাণ শিবিরে। সেখানে গিয়ে ত্রাণ শিবিরে থাকা দূর্গত মানুষ গুলোর সাথে কথা বলে তাঁদের সমস্যার কথা শোনেন অভিষেক। এবার আজ পূর্ব মেদিনীপুরের বিপর্যস্ত এলাকা পরিদর্শনে গিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এমনটাই জানা গিয়েছে।

‌ আজ তিনি ইয়াসের তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত পূর্ব মেদিনীপুরের বিস্তীর্ণ অঞ্চল পরিদর্শন করবেন। দীঘা সমুদ্রতট থেকে শুরু করে তাজপুর, মন্দারমণি, রামনগর, উদয়পুর প্রভৃতি এলাকায় তিনি যাবেন, সেখানকার মানুষের সাথে কথা বলবেন। প্রতিটি মানুষের কাছেই যাতে ত্রাণ পৌছানো যায়, সেই ব্যবস্থা করবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রামনগরে ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছেন অভিষেক। সেখানে তিনি পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছেন। রাস্তা, নদী বাঁধের হাল দেখে তিনি যথেষ্ট ক্ষুদ্ধ হয়েছেন। অভিষেক বলেছেন,”রামনগরের দীর্ঘ রাস্তা আমি নিজে পরিদর্শন করলাম।

আরও পড়ুন-ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্থ তাজপুর – মন্দারমনিতে পরিদর্শন করতে গেলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

মানুষ অনেক কষ্টের মধ্যে রয়েছে, তাদের সাথেও কথা বলেছি আমি। যারা রাস্তা , বাঁধ নির্মাণের দ্বায়িত্ব ছিলেন তাঁরা চরম দূর্নীতি করেছেন। গার্ড‌ওয়াল গুলো ভেঙে গিয়েছে। এগুলো সেচমন্ত্রকের অধীনে করা হয়েছিলো, তখন কে সেচমন্ত্রী ছিলো সেটা আমাকে নতুন করে বলতে হবেনা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনেক আশা নিয়েই এখানকার ভূমিপুত্রকে সেচমন্ত্রী করেছিলেন। তিনি নিজের মেরুদন্ড বিক্রি করে অন্য রাজনৈতিক দলে যোগ দিয়েছেন । দেখলাম গার্ড‌ওয়াল ভেঙে গিয়েছে, রাস্তার নীচে দেখছি বালি। আমি দেখেছি সবকিছু। যারা মানুষের মুখের গ্রাস কেড়ে নিয়ে নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করেছে, তাদের ছাড়া হবে না। যারা দূর্নীতি করেছে তারা রেহাই পাবে না।”