নিউজপলিটিক্স

“সংবাদমাধ্যমে নিষিদ্ধ হোক আদালতের মৌখিক পর্যবেক্ষণের প্রকাশ”- মাদ্রাজ হাইকোর্টে আবেদন নির্বাচন কমিশনের।

নিজস্ব প্রতিবেদন: সারা ভারত জুড়ে আছড়ে পড়েছে করোনার ভয়াবহ ঢেউ। প্রতিদিন বহু মানুষ মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়ছেন এই মারণ ভাইরাসের প্রভাবে। এই পরিস্থিতিতে সম্পূর্ণ কেন্দ্রীয় সরকারের উপর দায়ভার চাপিয়ে দিয়ে সরব হয়েছেন অনেকেই। অনেকেই বলছেন প্রধানমন্ত্রী তার দায়িত্ব অনুযায়ী সঠিক ভাবে কর্মসম্পাদন করছেন না। যার দরুন টুইটারে ট্রেন্ডিং হ্যাশট্যাগ ‘রিজাইন নরেন্দ্র মোদী’ দিয়ে শুরু হয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে বিদ্ধ করা।

বিশ্বের বহু জনগণ করোনার এই বিপর্যয়ের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলছেন। যার ফলস্বরূপ টুইটার এবং ফেসবুকের জনপ্রিয় হ্যাশট্যাগ হয়ে উঠেছে #রিসাইন মোদী।করোনা পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকারকে অনেকেই তীব্র আক্রমণ করেছে। এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে মানুষের পরিষেবার ক্ষেত্রে যথেষ্ট অস্বচ্ছ্বতা রয়েছে বলে দাবি করেছেন অনেকেই। করোনার পর্যায়ে এবার দিল্লি হাইকোর্ট তীব্র ভর্ৎসনা করেছে কেন্দ্রীয় সরকারকে।

এর আগে দেখা গিয়েছিলো যে কোভিডের এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট । কলকাতা হাইকোর্ট তীব্র ভর্ৎসনা করে বলেছিলো যে, কমিশনের হাতে যথেষ্ট ক্ষমতা রয়েছে, কিন্তু নির্বাচন কমিশন এই ক্ষমতার যথেষ্ট ব্যবহার করছে না।”এছাড়া মাদ্রাজ হাইকোর্ট নির্বাচন কমিশনকে কড়াভাবে তিরস্কার করে বলেছিল, “করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের জন্য দায়ী নির্বাচন কমিশন।

আরও পড়ুন-লকডাউনে সমগ্র গ্রামকে খাওয়ানোর দ্বায়িত্ব নিলেন সোনু।

আপনাদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা দায়ের করা উচিত। যখন চারদিকে জনসভা ও মিছিল হচ্ছিল তখন কি আপনারা অন্য গ্রহে বসে ছিলেন? গণনার সময় করোনা সংক্রমনের বিরুদ্ধে কি পরিকল্পনা রয়েছে তা অবশ্যই আদালতকে জানান।”আজ নির্বাচন কমিশন মাদ্রাজ হাইকোর্টের কাছে আবেদন জানিয়েছে যে নির্বাচনের এই আবহে আদালতের কোন মৌখিক বক্তব্য যাতে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত না হয় তার জন্য অবশ্যই কিছু ব্যবস্থা নিক কোর্ট।

তার কারণ হলো আদালত বারবার নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে যে মন্তব্যগুলি করছে তাতে নির্বাচন কমিশনের সম্মানহানি ঘটছে এবং ইমেজে আঘাত পড়ছে। তাই কমিশন আদালতের কাছে অনুরোধ করেছে যে কোন মৌখিক মন্তব্য যাতে মিডিয়ায় না প্রকাশ করা হয়।

Related Articles

Back to top button