নারদ মামলায় হলকনামা গ্রহণ করল না হাইকোর্ট। চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ মুখ্যমন্ত্রী।

নারদ মামলায় হলকনামা গ্রহণ করল না হাইকোর্ট। চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ মুখ্যমন্ত্রী।

নিজস্ব প্রতিবেদন: নারদ মামলায় ৪ হেভিওয়েট নেতাকে গ্রেপ্তার করেছিলো সিবিআই। কিন্তু হাইকোর্টে চার হেভিওয়েট নেতা যথা, ফিরহাদ হাকিম, মদন মিত্র, সুব্রত মুখোপাধ্যায় এবং শোভন চট্টোপাধ্যায় জামিন পেয়ে গিয়েছেন। এই মামলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে পক্ষ করেছে সিবিআই। মুখ্যমন্ত্রী পক্ষ থেকে হাইকোর্টে তার আইনজীবী এই মামলায় হলফনামা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন।

‌ কিন্তু এই হলফনামা গ্রহণ করেনি কলকাতা হাইকোর্ট। ‌ যার জন্য কলকাতা হাইকোর্টের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চে এই আবেদনের ভিত্তিতে শুনানি হতে চলেছে বলে জানা গিয়েছে।গত ১৭ ই মে চার হেভিওয়েট গ্রেফতারিতে যথেষ্ট চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছিল রাজ্যে।

আরও পড়ুন-উত্তরবঙ্গ সফরে যাওয়া রাজ্যপালকে কালো পতাকা দেখালো তৃণমূল কর্মীরা

সিবিআই দপ্তরে নিজে উপস্থিত হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি ওইদিন যথেষ্ট প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। এছাড়াও অগণিত তৃণমূল কর্মীরা নিজাম প্যালেস চত্বরে ভীড় জমিয়ে রীতিমতো তান্ডব চালিয়েছিলো। এই পরিপ্রেক্ষিতে সিবিআই যুক্তি দিয়েছিল যে আইন মন্ত্রীর উপস্থিতিতে নিম্ন আদালত প্রভাবিত হয়েছে, যার জন্য এই মামলা অন্যত্র স্থানান্তর করা হোক।

আরও পড়ুন-“৩০ দিনের মধ্যে উত্তর না দিলে নেওয়া হবে কড়া পদক্ষেপ।”- আবার আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি কেন্দ্রের। নিন্দা তৃণমূলের।

এরপরই মুখ্যমন্ত্রী কলকাতা হাইকোর্টে হলফনামা দিতে চেয়ে ছিলেন, কিন্তু এই হলফনামা গ্রহণ করেনি কলকাতা হাইকোর্ট। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, তিনি ওইদিন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নিজাম প্যালেসে যাননি। তিনি গিয়েছিলেন ধৃতদের সাথে দীর্ঘদিনের পারিবারিক সম্পর্কের ভিত্তিতে। যার জন্য নিজের অবস্থান স্পষ্ট করতেই এই হলফনামা দিতে চেয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

কিন্তু আদালত তাঁর হলফনামা গ্রহণ না করায় এবার মুখ্যমন্ত্রী সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। আজ সর্বোচ্চ আদালতে দুই বিচারপতির বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হতে চলেছে।