নিউজপলিটিক্সরাজ্য

আজ দিল্লি যাচ্ছেন রাজ্যপাল। রাজ্যের ভোট পরবর্তী সংঘর্ষ নিয়ে বেশ কয়েকটি বৈঠক করতে চলেছেন তিনি।

নিজস্ব প্রতিবেদন: বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের জয় লাভের পর থেকেই যথেষ্ট উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি। জায়গায় জায়গায় তৃণমূল কর্মীদের হাতে আক্রান্ত হয়েছে বিজেপির নেতা কর্মীরা এমনটাই অভিযোগ করছেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা। ‌ দলীয় শীর্ষ নেতৃত্ব দের জানিয়ে কোনো লাভ হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন বিজেপি সমর্থকরা। রাজ্যে হিংসাত্মক পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে একাধিকবার টুইট করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।

এমনকি রাজ্যের এই হিংসাত্মক পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল যাতে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা যায়। রাজ্যের এই হিংসাত্মক পরিস্থিতির অভিযোগে রাজ্যপালের কাছে সাক্ষাৎ করতে গিয়েছেন বিজেপির মোট ৫০ জন বিধায়ক। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে রাজ্যপালের সাথে দেখা করেছেন তারা। রাজভবনের বারান্দায় বিধায়কদের সাথে কথা বলেছেন রাজ্যপাল।

আরও পড়ুন-“বেশী সময় নেই। কবে জয়েন করাবে তোমরা?” – বাবুল সুপ্রিয় প্রকাশ করলেন মুকুলের বিজেপিতে যোগদানের পূর্বেকার ইঙ্গিত।

এর পরেই রাজ্যপালের অফিসিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয়, “রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার অবনতি এবং রাজ্য পুলিশের পক্ষপাতিত্বের সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিজেপির ৫০ জন বিধায়ক।”বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যপালের সাথে সাক্ষাৎ করে বলেছেন যে,”ধর্মনিরপেক্ষতার মানে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিপদের মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। গত ২ রা মে থেকে রাজ্যে হিংসাত্মক পরিস্থিতি ঘটে চলেছে। তপশিলি জাতি এবং উপজাতিদের অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে রয়েছে।

হবিবপুর, মানিকচক, ফরাক্কায় ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। আমাদের বিধায়ক তাপসী মন্ডল এর বাড়িতে গিয়ে হাঙ্গামা চালিয়ে তাকে পদত্যাগ পত্র জমা দিতে বলা হয়েছে। লকেট চট্টোপাধ্যায় কে পান্ডুয়ায় বাধা দেওয়া হয়েছে। মিথ্যা মামলায় জেল খাটানো হয়েছিল খয়রাশোল এর মন্ডল বিজেপি সভাপতি কে ।

আরও পড়ুন-রাজ্যে হিংসার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যপালের সাথে রাজভবনের বারান্দায় সাক্ষাৎ করলেন ৫০ জন বিজেপি বিধায়ক

বাড়ি আসার পথে খুন করা হয় তাকে। এখনো পর্যন্ত আমাদের ১৭ হাজার জন কর্মী ঘরছাড়া হয়েছেন।”জানা গিয়েছে এই বৈঠকের পরেই আজ দিল্লি যাচ্ছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। দিল্লিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সাথে বাংলার ভোট পরবর্তী সংঘর্ষ নিয়ে বেশ কয়েকটি বৈঠকে অংশগ্রহণ করতে চলেছেন রাজ্যপাল এমনটাই জানা গিয়েছে।

এই বৈঠকে বাংলায় ভোট-পরবর্তী সন্ত্রাস এবং ঘরছাড়া মানুষের পরিস্থিতি নিয়ে পর্যালোচনা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলায় এই পরিস্থিতিতে রাজ্যপালের দিল্লি সফর যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

Related Articles

Back to top button